Opu Hasnat

আজ ২২ নভেম্বর শুক্রবার ২০১৯,

দামুড়হুদা টেলিফোন অফিসের বেহাল দশা চুয়াডাঙ্গা

দামুড়হুদা টেলিফোন অফিসের বেহাল দশা

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় টেলিফোন অফিসের বেহাল দশা হয়ে পড়েছে। এক সময় দামুড়হুদায়  প্রায় বাড়ীতে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অফিস আদালতে ব্যবহার হতো টেলিফোন। আধুনিকায়নের আবর্তে মুঠোফোনে চাপা পড়েছে টেলিফোন। দামুড়হুদায় টেলিফোন সংযোগ ১৮০টির স্থলে মাত্র-৬৫ টি। তারপরেও লোকবল সংকটের গ্রাহক সেবা নেই বললেই চলে। দামুড়হুদা উপজলা সদরের রয়েছে দুইতলা বিশিষ্ট অফিস ভবন। ১৯৮৩ সালে ম্যাগনো-২ টেলিফোন চালু হয় এখানে। ঐ সময় সংযোগ ছিলো ৭০টি। এরপর ২০০৭ সালে ডিজিটালে রুপান্তিারিত হওয়ার পর গ্রাহক সংখা বেড়ে দাড়ায় ১৮০ তে।  বিটিসিএল কোম্পানির টেলিফোন অফিস টিতে লোকবল ছিলো অপারেটর ৩জন, লাইন ম্যান ১জন ও বার্তা বাহক ১ জন। বর্তমানে একজন অপারেটর একজন লাইনম্যান ও একজন বার্তাবাহকে দিয়ে চলছে অফিস। 

দামুড়হুদা টেলিফোন অফিসের অপারেটর নুরজাহান খাতুন জানান, দামুড়হুদা ডিজিটাল এক্সচেঞ্জ টিতে প্রায় তিনশত সংযোগ দেওয়ার ক্যাপাসিটি থাকলেও তার মধ্যে প্রায় ৫০টি অকেজো হয়ে আছে। ডিজিটাল হওয়ার পর টেলিফোনের সাথে ফ্যাক্স মেশিন ব্যবহার করার সুবিধা থাকায় অনেক গ্রাহকের আগ্রহ ছিলো। মুঠোফোন ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে টেলিফোনের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে গ্রাহকগণ। এছাড়াও জরুরি প্রয়োজনে বেশির ভাগ সময় সংযোগ নষ্ট থাকার মতো ঘটনা ঘটতে থাকায় মেরামত করতে বিলম্ব হওয়ার কারনে অনেক গ্রাহক আগ্রহ হারিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। বর্তমানে এখানে ৬৫টি সংয়োগ রয়েছে এর প্রায় সবই সরকারী অফিসে।   মধ্যে ৫টি অকেজো হয়ে আছে। টেলিফোন শিল্পকে আবারও আগের অবস্থানে ফিরিয়ে নিতে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন প্রয়োজন।

লাইনম্যান দুলাল হোসেন জানান, মাটির নিচ দিয়ে ছড়ানো সংযোগের তার রাস্তা মেরামতসহ বিভিন্ন কারনে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে তা মেরামত করা দুরুহু হয়ে পড়ে। প্রয়োজনয়ী যন্ত্রপাতি না থাকায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার স্থান খুঁজে পেতে সময় লেগে যায়। জনবল কম হওয়ায় তার একা এসকল কাজ করতে হয়। জনবল বাড়ালে ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি বাড়ালে দ্রুত মেরামত কাজ সম্ভব।

এই বিভাগের অন্যান্য খবর