Opu Hasnat

আজ ১৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার ২০১৯,

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে গোলাগুলি, এক বিএসএফ সদস্য নিহত জাতীয়

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে গোলাগুলি, এক বিএসএফ সদস্য নিহত

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বর্ডার গার্ডস বাংলাদেশ বা বিজিবি’র চালানো গুলিতে এক ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী নিহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।

বিএসএফ বলছে, বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদ জেলার সীমান্তে পদ্মা নদীতে মাছ ধরতে যাওয়া কয়েকজন ভারতীয় মৎসজীবিকে বিজিবি আটকে রেখেছে, এই অভিযোগ পেয়ে তারা যখন পতাকা বৈঠক করতে বিজিবি-র চৌকিতে গিয়েছিল, তারপরেই ঘটনা নাটকীয় মোড় নেয়।

এদিকে, বিএসএফ বলছে, বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদ জেলার সীমান্তে পদ্মা নদীতে মাছ ধরতে যাওয়া কয়েকজন ভারতীয় মৎসজীবিকে বিজিবি আটকে রেখেছে, এই অভিযোগ পেয়ে তারা যখন পতাকা বৈঠক করতে বিজিবি-র চৌকিতে গিয়েছিল, তারপরেই ঘটনা নাটকীয় মোড় নেয়।

এদিকে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজার বিএসএফ সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, মুর্শিদাবাদের জলঙ্গিতে জলসীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশেঢুকে গিয়েছিলেন তিনজন ভারতীয় মৎস্যজীবী। তাঁদের উদ্ধার করতে গিয়েছিল বিএসএফ। বিএসএফের দাবি, বৃহস্পতিবারদুই মৎস্যজীবীকে উদ্ধার করে ফেরার পথে আচমকাই বিজিবি গুলি চালায়। ওই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে বিএসএফ-এর হেড কনস্টেবল বিজয়ভান সিংহের। তাঁর মাথায় গুলি লাগে। অন্য এক কনস্টেবল বিজিবি-র ছোড়া গুলিতে আহত হয়েছেন। তাঁকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে।

এ দিন সকালে জলঙ্গির তিন মৎস্যজীবী পদ্মায় মাছ ধরার সময় আন্তর্জাতিক জলসীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশের দিকে চলে যান। তখনই তিন জনকে বিজিবি আটক করে। বিষয়টি বিএসএফ-কে জানানো হয়। দু’পক্ষের মধ্যে ফ্ল্যাগ মিটিংয়ের পর তিন জন মৎসজীবীর মধ্যে দু’জনকে ছেড়ে দেয় বিজিবি। কিন্তু, একজনকে তারা ছাড়তে নারাজ ছিল। এমন পরিস্থিতিতে দু’জনকে নিয়ে কাটমারি চর বর্ডার পোস্টের দিকে ফিরছিল বিএসএফের পাঁচ জনের একটি দল। গুলি ছোড়া হলে বিজয়ভানের মাথায় লাগে।

ঘটনার পর দু’তরফে ডিজি পদমর্যাদার অফিসারদের উপস্থিতিতে বৈঠক হয়। বিজিবি-র তরফে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস মিলেছে বলে জানিয়েছে বিএসএফ।

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এই ঘটনাকে ‘অনাকাঙ্খিত এক দুর্ঘটনা’ বলে বর্ণনা করেছেনএবং জানিয়েছেন যে এই ঘটনার পর দুই বাহিনীর সর্বোচ্চ পর্যায়ের মধ্যে যোগাযোগ চলছে।

বিবিসির সাথে এক সাক্ষাৎকারে পুরো ঘটনার একটি বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ইলিশ নিষিদ্ধ মৌসুমে বাংলাদেশের জলসীমায় আটক করে রাখা এক জেলেকে বিএসএফ জোর করে ছাড়িয়ে নেয়ার চেষ্টা করছিল।

কিন্তু বিজিবি এতে আপত্তি জানালে বিএসএফ তাড়াহুড়ো করে চলে যাওয়ার সময় গুলি ছোঁড়ে। এর জবাবে বিজিবিও গুলি ছোঁড়ে বলে মি. খান জানান।

শুক্রবার এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসে বিষয়টার সুরাহা করা হবে বলে তিনি জানান।

এই ঘটনা দু’দেশের সম্পর্কের ওপর কোন রেখাপাত করবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।