Opu Hasnat

আজ ২১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার ২০১৯,

যুদ্ধাপরাধের মামলায় গাইবান্ধার ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড আইন ও আদালত

যুদ্ধাপরাধের মামলায় গাইবান্ধার ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গাইবান্ধার রঞ্জু মিয়াসহ পাঁচজনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবার) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর মোখলেসুর রহমান ও আসামি পক্ষের আইনজীবী আবুল হাসান। 

এ মামলার মোট আসামি ছিলো ছয়জন। তাদের মধ্যে মো. রঞ্জু মিয়া কারাগারে আছেন। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত অপর চারজন পলাতক। তারা হলেন- আবদুল জব্বার (৮৬), মো. জাফিজার রহমান খোকা (৬৪), মো. আবদুল ওয়াহেদ মণ্ডল (৬২), মো. মমতাজ আলী বেপারি মমতাজ (৬৮)। অপর এক অভিযুক্ত মো. আজগর হোসেন খান মারা গেছেন। 

আসামিদের বিরুদ্ধে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে হত্যা-গণহত্যা, ধর্ষণ, আটক, অপহরণ, নির্যাতন, বাড়িঘরে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ, ভয়-ভীতি ও আতঙ্ক ছড়িয়ে হিন্দু সম্প্রদায়কে ধর্মান্তর ও দেশান্তরে বাধ্য করাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের চারটি অভিযোগ আনা হয়। এসব অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত পাঁচজনের ফাঁসির আদেশ দেন।

আসামিরা গাইবান্ধা সদরের নান্দিদা ও ফুলবাড়ি গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা এবং সবাই জামায়াতের সক্রিয় কর্মী। আসামিদের মধ্যে মো. আবদুল জব্বার, মো. জাফিজার রহমান খোকা ও মো. আবদুল ওয়াহেদ মণ্ডল ১৯৭১ সালের আগে থেকেই জামায়াতের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। জব্বার ও খোকা মানবতাবিরোধী অপরাধে ১৯৭২ সালে গ্রেপ্তার হলেও তাদের কোনো বিচার হয়নি। 

খোকার বর্তমান ঠিকানা রাজধানীর কাফরুল থানার উত্তর ইব্রাহীমপুর। তিনি ১৯৭৫ সালে পুলিশের চাকরিতে যোগ দিয়ে ২০১৪ সালে অবসর নেন। মো. মমতাজ আলি বেপারি ১৯৭৪ সালে কৃষি বিভাগে চাকরিতে যোগ দিয়ে ২০১২ সালে অবসর নেন বলে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার অভিযোগে জানা গেছে।