Opu Hasnat

আজ ২৬ মে মঙ্গলবার ২০২০,

আদালতের আদেশ অমান্য করায় এসি ল্যান্ডের নামে মামলা মাগুরা

আদালতের আদেশ অমান্য করায় এসি ল্যান্ডের নামে মামলা

মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার এসি ল্যান্ড মো: নাজিম উদ্দীনের বিরুদ্ধে মাগুরা জজ আদালতে বিজ্ঞ আদালতের আদেশ অমান্য করায় আদালত অবমাননার মামলা করা হয়েছে। জজ আদালত ১০ অক্টোবর মহম্মদপুরর এসি ল্যান্ড-কে কারন দর্শাইয়া জবাব দেওয়ার আদেশ দিয়েছে। 

আদালত সুত্রে জানা গেছে, মহম্মদপুর উপজেলার মৌজা নং ৭৮ খতিয়ান নং ১১ দাগ নং ৭৩৫ জমির পরিমান ১৮ শতক নিস্পত্তির বিষয় নিয়ে মাগুরা জজ কোর্টে জমির রেকর্ড সংশোধনের জন্য দেওয়ানি ১৩০/৯৬ নং মামলার রায় ৪/৮/৯৬ তারিখে বিজ্ঞ বিচারক আপীল কারি ফসিয়ারের পক্ষে রায় প্রদান করেন। এর পর মাগুরা জেলা প্রশাসক আপীল কারির আবেদনের প্রেক্ষীতে ১৯/১/০৬ তারিখে বর্নিত জমি ও সীমানা নির্ধারণ করে ফসিয়ার রহমান কে বুঝে দেন। পরবর্তীতে ফসিয়ারের ছেলে মুস্তাফিজুর রহমান বর্নিত জর্মিতে ঘর নির্মান করে বসবাস শুরু করেন। এর পর মহম্মদপুর উপজেলা ভুমি কর্মকর্তা এসি ল্যান্ড নাযিম উদ্দীন লোভের বশবর্তী হয়ে স্থানীয় কয়েকজনের কাছ থেকে অবৈধ উৎকোচ গ্রহন করে বর্নিত জমি থেকে বিনা নোটিশে মুস্তাফিজুর রহমানে ঘরবাড়ী উচ্ছেদ করে বর্নিত জমি ১৮ জন লোকের নামে লীজ প্রদান করেন। ঘটনার পর মুস্তাফিজুর রহমান মাগুরা জজ আদালতে বর্নিত জমিতে নিষেধাজ্ঞার মামলা করেন যার নং ৩৭৪/১৯। যে কারনে মহম্মদপুর উপজেলার এসি ল্যান্ড মুস্তাফিুজুর রহমানের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ লেলিয়ে দিয়ে নানা ভাবে হয়রানি করছেন ও মোবাইল কোর্টেও মাধ্যমে জেল দেয়ার হুমকি প্রদান করছেন। মুস্তাফিজুর রহমান স্থানীয় সাংবাদিক দের নিকট অভিযোগ করেন এসি ল্যান্ডের দাপটে তিনি এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। 

এ ব্যাপারে মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিকুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন লোক মুখে তিনি এ সব অভিযোগ পেয়েছেন তবে কেউ লিখিত অভিযোগ করেন নি। অভিযুক্ত এসি ল্যান্ড নাযিম উদ্দীনের এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি  সব প্রশ্নের জবাব আদালতে দিবেন বলে জানাান। 

এসব কাহিনীর বর্ণনা করে মুস্তাফিজুর রহমান প্রতিকার ও বিচার প্রার্থনা করে সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে, প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়ে, আইন মন্ত্রনালয়ে, মাগুরা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, স্থানীয় প্রেসক্লাব সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত আবেদন করেছেন।