Opu Hasnat

আজ ৭ ডিসেম্বর শনিবার ২০১৯,

১০ বছর পর দেশে আর কোন বেকার থাকবেনা : অর্থমন্ত্রী কুমিল্লা

১০ বছর পর দেশে আর কোন বেকার থাকবেনা : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, আগামী ১০ বছর হবে বাংলাদেশের জন্য সোনালী যুদ্ধের সময়। এ সময়ে তিনকোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে। তখন দেশে আর কোনো বেকার থাকবে না।

নতুন প্রজন্মকে প্রতি এই সোনালী যুদ্ধে অংশ নেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন করেছি মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে। আর সোনালী যুদ্ধের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক মুক্তি আনা হবে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মিয়াবাজার এলাকায় হোটেল ফুড প্যালেস মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিশ্বের উন্নত ২০টি দেশের কাতারে ২০৪১ সালের মধ্যে আমাদেরকে পৌঁছাতে হবে। এজন্য দেশকে ভালবেসে, দেশের প্রতি মমতা রেখে সবাইকে দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। এ দেশকে ক্ষুধা এবং দারিদ্রমুক্ত করে উন্নত বিশ্বের কাতারে পৌঁছানো হবে। আর এর মধ্যদিয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন পূরণ হবে।

এর আগে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু এমপি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের প্রধান যোগানদাতা হলো ছাত্রলীগ। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও মহিলা লীগ নেতাদের অনুরোধ করে তিনি বলেন, কর্মী রিক্রুট করার সময় দেখে করবেন। কোনো ডাকাত, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদকসেবীর দলে প্রয়োজন নেই। সৎভাবে রাজনীতি করলে মানুষ অন্তর থেকে শ্রদ্ধা-সম্মান করবে।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় এমপি ও সাবেক রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক বলেন, চৌদ্দগ্রামে জামায়াতের অত্যাচারে একসময় আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠেছিল। আমরা সাহস হারাইনি। জনগণের সঙ্গে ছিলাম বলে জনগণ আমাদের আবার সুযোগ করে দিয়েছে। রাজনীতির পথ অনেক লম্বা। ধৈর্য হারালে চলবে না। কেউ দরদ দিয়ে আওয়ামী লীগ করলে দল তাকে অনেক কিছু দেয়, মূল্যায়ন করে। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ মনেপ্রাণে ধারণ করে তৃণমূলের রাজনীতির মাধ্যমে বর্তমান অবস্থানে এসেছি। যারা পদ-পদবী পাবেন তারা দলের জন্য নিবেদিতভাবে কাজ করবেন, আর যারা পাবেন না তাদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই, ভবিষ্যতে তাদের মূল্যায়ন করা হবে।

সম্মেলনে আগামী তিন বছরের জন্য উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুস সোবহান ভূঁইয়া হাছানকে পুনরায় সভাপতি ও রহমত উল্লাহ বাবুলকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়।

উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুস সোবহান ভূঁইয়া হাসানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাজী ইলিয়াস মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন স্বপন, চৌদ্দগ্রামের পৌর মেয়র মিজানুর রহমান, জিএম মীর হোসেন মিরু, আফতাবুল ইসলাম, শাহজালাল মজুমদারসহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।