Opu Hasnat

আজ ৩ জুন বুধবার ২০২০,

বাদাঘাট ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ সুনামগঞ্জ

বাদাঘাট ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ

সুনামগঞ্জে তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউপি চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম আর র্দূনীতির অভিযোগ দায়ের করেছেন একই ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ রেনু মিয়া। গত ৭ অক্টোবর জেলা প্রশাসক বরাবরে এ অভিযোগ দায়ের করা হয়। 

অভিযোগ সুত্রে জানা যায, আফতাব উদ্দিন নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদ সীমাহীন দুর্নীতির আখড়ায় পরিনত হয়েছে। ২০১৭ সালে ১১ জন রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব ও জন্মসনদ প্রদান করেন। তিনি সরকারি গাছ কর্তন ও আত্মসাতের মামলা বিচারাধীন, মামলা নং জি.আর ২০৯/২০১৮। জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ দেয়ার কারনে অভিযোগকারি সদস্যের ছেলের পা ভাঙ্গচুর, চাঁদা দাবী ও মোটরসাইকেল ভাঙ্গচুর করে। এ ঘটনায় ২৪.৮.২০১৯ ইং তারিখে ০৫ নং মামলা দায়ের করা হয়। ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন কর্মকান্ডে রয়েছে সীমাহীন দুর্নীতি। ২০১৯ সালের ৪০ দিনের কর্মসুচীর ২য় কিস্তি আংশিক কাজ করে প্রায় কয়েক লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। কর্মসুচীর আওতায় বাদাঘাট গ্রাম হইতে গার্লস স্কুলের রোড পর্যন্ত রাস্তার জন্য ৪ লক্ষ ৮ হাজার টাকা একই প্রকল্প আবার এমপি’র বরাদ্দের তালিকায় এনে ৯ টন চাল তুলে আত্মসাৎ করেছেন। কিন্তু উল্লেখিত রাস্তাটি গ্রামের মানুষ তাদের অর্থায়নে করেছেন। এছাড়া এলজিএসপি’র বরাদ্দের কাজে অনিয়ম, বিগত অডিট আপত্তির ইউনিয়ন পরিষদের তহবিলের ২ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা গ্রাম পুলিশ ও অন্যানদের নামে চেক ইস্যু করে  আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়াও লামাপাড়া মেইন রোড় থেকে গ্রাম পর্যন্ত মাটির রাস্তা নির্মাণ কাজরে বরাদ্দ বাবত ৪ লাখ ৮ হাজার টাকা তার চাচাতো ভাই শামীমের নিজস্ব জমিতে যাওয়ার জন্য কয়েক বছর পূর্বে সামান্য মাটি ফেলে  পায়ে হাটার রাস্তা করেছিল । এবং এই রাস্তাটি তার চাচাতো ভাইকে ৪০ হাজার টাকা দিয়ে এই কর্মসূচীর মধ্যে ঢুকিয়েছিল। এছাড়াও  এলজি এসপির বরাদ্দ হতে সোহালা গ্রামে পাকা কৃষি সেচ নালা স্থাপন বাবত এক লাখ ২৭ হাজার  ৩০২ টাকা হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত স্বাস্থসম্মত রিং পাইপ স্থাপনের  এক লাখ ২৫ হাজার টাকা আত্মসাধ করেন যার কোন বিল বাউচার নেই। ইউনিয়ন অফিসের ট্র্যাস্ক বা ট্রেড লাইন্সেস ও জন্ম নিয়ন্ত্রন সমুদয় টাকাও আত্মসাধ করেন। যার কোন ব্যংকের সাথে বা ইউনিয়ন ক্যাশ বইয়ের সাথে মিল নেই। তাছাড়াও ফার্নিসারের এবং ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের টি আর প্রকল্পের ২ লাখ ১৫ হাজার টাকা পরিষদের সংস্কার কাজ করার কথা বলে কোন কাজ না করেই আত্মসাধ করেছেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়। 

এ ব্যাপারে বাদাঘাট ইউপি চেয়ারম্যান আপ্তাব বলেন, রেনু মেম্বার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের লোক আমার বিরুদ্ধে অহেতুক হয়রানী করার জন্য একের পর এক অভিযোগ দায়ের করছে তা সম্পুর্ণ মিথ্যা। আমি জনগনের কল্যাণে কাজ করতেই কেবল জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছি।