Opu Hasnat

আজ ১৬ অক্টোবর বুধবার ২০১৯,

দামুড়হুদায় টিনের ছাপড়ায় পাঠদান চুয়াডাঙ্গা

দামুড়হুদায় টিনের ছাপড়ায় পাঠদান

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর দামুড়হুদা ডিএস দাখিল মাদরাসায় টিনের ছাপড়ায় চলছে পাঠদান। ঘূর্ণিঝড়ে মাদরাসার আধাপাকা ঘরের ৪টি ক্লাস রুমের টিনের চাল উড়ে যায়। এর পর মাদরাসা চত্বরে টিনের ছাপড়া দিয়ে চালানো হচ্ছে পাঠদান। ফলে বর্ষা-বাদলায় ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান। সংশ্লিষ্টদের কাছে লিখিত অভিযোগ করলেও কোনো কাজ হয়নি বলে অভিযোগ মাদরাসা কর্তৃপক্ষের।সংস্কার কিংবা নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। বর্তমানে মাদরাসাটিতে ৪৪৫ জন শিক্ষার্থী আছে।

১৯৯৪ সালে এলাকার কিছু গণ্যমান্য ব্যক্তি ও হাউলি ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগিতায় পাকা গাঁথুনি ও টিনের ছাউনি দিয়ে চার কক্ষ বিশিষ্ট ক্লাসরুম তৈরি করে মাদরাসাটি চালু করা হয়। পরে দুই হাজার সালে এমপিওভুক্ত হওয়ার পর সরকারিভাবে নির্মাণ করা হয় দুই রুম ও স্থানীয়দের সহায়তায় আরো চাঁরটি রুম মোট ৬ রুম বিশিষ্ট ভবন।

মাদরাসা সুপার সহিদুল ইসলাম জানান, প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পুরাতন আধাপাকা ৪ কক্ষ ও এমপিওভুক্ত হওয়ার পর নির্মিত ৬টি ভবনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানো হচ্ছিল। এরই মধ্যে  চলতি বছরের জুন মাসে ঘুর্ণিঝড়ে মাদরাসার আধাপাকা শ্রেণিকক্ষের টিনের চাল উড়ে যাওয়ার পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে শ্রেণিকক্ষ। পরে একটি টিনের ছাপড়া দিয়ে সেখানে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পাঠদান হচ্ছে। একটু ঝড়-বৃষ্টি হলেই চারিদিক থেকে পানি এসে ওই স্থানে আর বসার মতো অবস্থা থাকে না। কাদা-পানিতে একাকার হয়ে যায়। ফলে বর্ষার দিনে উপস্থিতির হার একেবারে কমে যায়। 

দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল হাসানের নিকট শ্রেণিকক্ষ মেরামতের জন্য আবেদন করেও কোনো ফল পাওয়া যায়নি। দামুড়হুদা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আ. মতিন জানান, মাদরাসার চাল উড়ে যাওয়ার বিষয়টি কর্তৃপক্ষ জানাইনি বা কোনো আবেদন করেনি। জানতে পারলাম এবার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মুনিম লিংকন জানান, মাদরাসার শ্রেণিকক্ষের এমন অবস্থার কথা আমার জানা ছিল না। কারন আমি ওই সময় এখানে ছিলাম না আবেদন করা থাকলে আমি মাদরাসার শ্রেণিকক্ষের সংস্কারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।