Opu Hasnat

আজ ১৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ২০১৯,

আইসিটি মামলায় নলছিটির সেই রেজাউল চৌধুরী ফের কারাগারে ঝালকাঠি

আইসিটি মামলায় নলছিটির সেই রেজাউল চৌধুরী ফের কারাগারে

নলছিটি পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র ও সাংবাদিক মু: মনিরুজ্জামান মুনিরের দায়ের করা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় নলছিটি উপজেলার শীর্ষ সন্ত্রাসী রেজাউল চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে নলছিটি থানার পুলিশ। ঢাকার সাইবার ট্টাইব্যুনালের মামলা নং-৪০১/১৮ এর গ্রেফতারি পরোয়ানায় নলছিটি থানার এসআই মো: রাসেল গত ৫ অক্টোবর রাতে রেজাউলকে নান্দীকাঠী এলাকা থেকে আটক করে। রোববার তাকে ঝালকাঠির আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত রেজাউলকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেয়। 

জানা গেছে, যুবলীগ নেতা পরিচয়ধারী রেজাউল চৌধুরী তার বাহিনী নিয়ে ২০১৭ সনের ৫ মার্চ বোরকা পরিহিত এক স্কুল ছাত্রীকে রাস্তায় লাঞ্ছিত, টেনে-হিচড়ে ও বোরকার মুখোশ খুলতে বাধ্য করে। এ ঘটনার ভিডিও এবং স্থিরচিত্র সাংবাদিক মু: মনিরুজ্জামান মুনির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিলে তা ভাইরাল হয়। ওইদিন রাতে নলছিটি থানার পুলিশ রেজাউলকে আটক করে সাংবাদিক মুনিরের বিরুদ্ধে আদালতে চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করার শর্তে গভীর রাতে ছেড়ে দেয়। পরদিন ৬ মার্চ রাত ১১টা ১৮  মিনিটে রেজাউল চৌধুরী তার ফেইসবুক আইডি দিয়ে সাংবাদিক মুনিরকে ফালতু সাংবাদিক ও মানুষরুপী জানোয়ার উল্লেখ করে পোস্ট দেয়। ৭ মার্চ ঝালকাঠি আদালতে মনিরুজ্জামান মুনিরের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির নালিশী অভিযোগ করে। আদালতের বিচারক এইচ এম কবির হোসেন মিথ্যা-ভিত্তিহীন ও উদ্যেশ্য প্রণোদিত হাওয়ায় মামলাটি খারিজ করেন। বিচারকের বিচক্ষণতায় রেজাউল চৌধুরীকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন এবং বিচারক এইচ এম কবির হোসেন স্বপ্রনোদিত হয়ে নিজেই বাদী হয়ে রেজাউল চৌধুরীকে আসামী করে সিআর-৪১/১৭(ঝাল)মামলা দায়ের করেন। ওই মামলাটি বর্তমানে স্বাক্ষীর জন্য রয়েছে।

এদিকে, সাংবাদিক মু: মনিরুজ্জামান মুনিরের বিরুদ্ধে ফেসবুকে আপত্তিকর ও কটুক্তি ভাষায় স্ট্যাটাস দেয়ায় ঢাকা সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে রেজাউল চৌধুরীর বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় মামলা দায়ের করেন। যা বর্তমানে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলায় গত ২৪ সেপ্টেম্বর রেজাউল চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী হলে নলছিটি থানা পুলিশ শনিবার রাতে গ্রেফতার করে।