Opu Hasnat

আজ ১৬ অক্টোবর বুধবার ২০১৯,

৩৪৮ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত

মধুমতি নদীর ভাঙ্গনে দিশেহারা ক্ষতিগ্রস্তরা ঝিনাইদহ

মধুমতি নদীর ভাঙ্গনে দিশেহারা ক্ষতিগ্রস্তরা

ফরিদপুরের মধুমতি নদীতে গত কয়েকদিনে পানি বৃদ্ধি পেয়ে আলফাডাঙ্গা উপজেলার পাচুরিয়া, চাদলা, দক্ষিন পাচুরিয়া, উত্তর চর নারানদিয়া, বাজরা, গুচ্ছগ্রামসহ ১০টি গ্রামে তীব্র ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। এসব এলাকার মধ্যে পাচুরিয়া ইউনিয়নের স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা, ভূমি অফিস ও মন্দিরসহ ১৬ প্রতিষ্ঠান ঝুকির মধ্যে রয়েছে। এরই মধ্যে একটি মসজিদ ও মাদ্রাসা, ৪০/৫০টি বাড়ী-ঘর নদী গর্ভে বিলীন হয়েগেছে। নদী গর্ভে বাড়ীঘড় চলে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্তরা খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। 

ক্ষতিগ্রস্ত পাচুরিয়া গ্রামের মোস্তফা বলেন, আমার দুটি বাড়ি বিলীন হয়ে গেছে নদীগর্ভে। তিনি বলেন, এখন আমাদের থাকার কোন জায়গা নেই। কোথায় থাকবো কি করবো বুঝতে পারছি না। সারা রাত জেগে বসে থাকতে হয় নদী পাড়ে। এই মূর্হতে যদি নদী ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা গ্রহন না করা হয় তাহলে এই গ্রাম একেবারেই বিলীন হয়ে যাবে।  

এ ব্যাপারে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার বলেন, ভাঙ্গন কবলিত মানুষের জন্য আমাদের পক্ষ থেকে ত্রাণ দেয়াসহ সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। যাদের বাড়ীঘড় নদীগর্ভে চলে গেছে তাদেরকে নতুন করে অন্যত্র বাড়ী নির্মাণ করে দেয়া হবে বলে তিনি জানান। 
 
এদিকে, পদ্মা ও আড়িয়াল খাঁ নদীর ভাঙ্গনে সদর, চরভদ্রাসন ও সদরপুর উপজেলার অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে বন্যা দেখা দিয়েছে।   

ফরিদপুর জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এরই মধ্যে ওই তিন উপজেলাসহ জেলার পাঁচটি উপজেলার ৩৪৮ হেক্টর জমির ফসল পানিতে নিমজ্জিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে মাসকলাই ১৮১ হেক্টর, বোনা আমন ৭৫ হেক্টর, রোপা আমন ৪৫ হেক্টর এবং ৪৭ হেক্টর জমির সবজী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

এই বিভাগের অন্যান্য খবর