Opu Hasnat

আজ ২৩ অক্টোবর বুধবার ২০১৯,

সুপ্রীমকোর্টে মিন্নি আইন ও আদালত

সুপ্রীমকোর্টে মিন্নি

চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় জামিনে থাকা নিহতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি হাইকোর্টে এসেছেন।

রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তার বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরের সঙ্গে তিনি সুপ্রিম কোর্টে আসেন। 

মিন্নি তার প্রধান আইনজীবী জেড আই খান পান্নার চেম্বারে যান। উচ্চ আদালতে নিঃস্বার্থভাবে আইনি লড়াই করা অন্য আইনজীবীদের সঙ্গে তিনি সাক্ষাৎ করেন।

সেখানে তিনি পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে পরামর্শ করবেন। সৌজন্য সাক্ষাৎ ও আইনি পরামর্শ শেষে মিন্নির প্রধান আইনজীবী এ বিষয়ে সাংবদিকদের ব্রিফ করবেন।

গত ২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের দেওয়া জামিন চেম্বার আদালত বহাল রাখায় কারাগার থেকে মুক্তি পান মিন্নি। গত ২৯ আগস্ট মিন্নিকে স্থায়ী জামিন দেন হাইকোর্ট। তবে জামিনে থাকাকালে গণমাধ্যমের সঙ্গে কোনো কথা বলা যাবে না বলে শর্ত দেন আদালত।

এ বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

গত ২৮ আগস্ট আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির জামিন প্রশ্নে জারিকৃত রুলের ওপর হাইকোর্টে চূড়ান্ত শুনানি শেষ হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৬ জুন সকালে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে স্ত্রীর সামনে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহতের বাবা দুলাল শরীফ বাদি হয়ে ২৭ জুন ১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরে ১৬ জুলাই সকাল পৌনে ১০টার দিকে মিন্নিকে তার বাবার বাড়ি বরগুনা পৌর শহরের নয়াকাটা-মাইঠা এলাকা থেকে পুলিশ লাইনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়। এর পর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত ৯টায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

গত ১ সেপ্টেম্বর রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় মিন্নিসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয় পুলিশ। একই সঙ্গে ১ নম্বর আসামি নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। 

মামলাটিতে এখন পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। গ্রেফতার আসামিদের মধ্যে ৬ কিশোর অপরাধী শিশু-কিশোর সংশোধনাগারে রয়েছে। এ ছাড়া মিন্নিসহ জামিনে রয়েছেন দুজন।