Opu Hasnat

আজ ২৩ অক্টোবর বুধবার ২০১৯,

শরনখোলায় হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সীমানা প্রাচীরের নির্মাণের অভিযোগ বাগেরহাট

শরনখোলায় হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সীমানা প্রাচীরের নির্মাণের অভিযোগ

বাগেরহাটের শরনখোলায় হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার উপেক্ষা করে সীমানা প্রাচীরের নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ওই দখলকারীরা উল্টো ভয়ভীতি ও হুমকি ধামকি দিচ্ছে। বাগেরহাট প্রেসক্লাবে ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিক অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন। 

সংবাদ সম্মেলনে দেলোয়ার হোসেন বলেন, অবসর গ্রহন করে শান্তিপূর্ণভাবে জীবনযাপন করার ব্যাপক ইচ্ছা থাকা সত্যেও এলাকার কিছু সংখ্যক দুস্কৃতকারী আমার সম্পত্তির প্রতি লোভের বশবর্তী হয় এবং আমাকে নানা ভাবে হয়রানী ও আমার সম্পত্তি  গ্রাস করার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। আমি আমার  নিজ সম্পত্তি হইতে  ১ একর ৭৮ শতক জমি আর, কে, ডি, এস, বালিকা বিদ্যালয় ও রায়েন্দা পাইলট হাই স্কুলে পূর্বেই দান করেছি। সেই সুবাদে আমার আরো ১৫ শতক জমি জোর পূর্বক দখল করার জন্য বিভিন্ন প্রকার ষড়যন্ত্র করে আসছে। কখনও ক্রয় করার প্রস্তাব দেন আবার কখনও এই জমি পেতে হলে আমাদেরকে ৫ পাঁচ লাক্ষ টাকা দিতে হবে। এ অবস্থায় এই জমিতে আদালতে ৩৭/১৫ বাটোয়ারা মামলা শরনখোলা চলমান রয়েছে। কিন্তু  মুক্তিযোদ্ধার নাম অপব্যবহার করে আব্দুল খালেক আর, কে, ডি, এস, বালিকা বিদ্যালয় রায়েন্দার পক্ষ হইয়া আমার নিষেধাজ্ঞা মামলার জবাব দেন। জমি পাবার জন্য তারা বিভিন্ন অবৈধ পন্থা অবলম্বন করেন।

তিনি আরও জানান,  এঘটনায় আদালতের নির্দেশে  ১১ সেপ্টেম্বর ঊভয়ের সম্মুখে নোটিশ জারী করেন ও আদালত কর্তৃক সাইনবোর্ড স্থাপন করেন। বিবাদীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে শরণেখোলা উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আঃ খালেক খান ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলনের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়া হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার সাইনবোর্ড কুপিয়ে ভেঙ্গে সীমানা প্রাচীরের কাজ চালাচ্ছে। আমি বাধা দিলে বিবাদীরা আমাকে বলে যে এই বিষয় নিয়া আর যদি কাউকে জানাও তাহলে তোকে খুন করিয়া গুম করিয়া জমিতে পুতে দেব। এঅবস্থায় আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতা রয়েছি। প্রশাসনের প্রতি আমার দাবী যাতে আমি ন্যায় বিচার পেতে পারি তাহার সহযোগি কামনা করছি।