Opu Hasnat

আজ ১৬ অক্টোবর বুধবার ২০১৯,

নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করতে নির্দেশ দিলেন এমপি রাজবাড়ী

নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করতে নির্দেশ দিলেন এমপি

রাজবাড়ী জেলার মানুষের প্রধান সমস্যা ছিল বিদ্যুৎ স্বল্পতা। বিদ্যুৎ স্বল্পতার কারনে এ জেলার মানুষ ছিল চরম ভোগান্তিতে। যে কারনের জেলায় তেমন কোন মিল ফ্যাক্টরী গড়ে ওঠেনি। ব্যঘাত ঘটেছে কৃষিতেও। বর্তমানে রাজবাড়ীর বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় পার্শবর্তি কুষ্টিয়া ও ফরিদপুর জেলা থেকে। এবার সেই সমস্যা থেকে লাঘব হওয়ার পালা। রাজবাড়ী বাসির দীর্ঘদিনের চাওয়া ছিল বিদ্যুৎ এর একটি সাব স্টেশন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার পিজিসিবি ও জার্মানীর অর্থায়নে রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বাগমারা এলাকায় ৫ একর জমির উপর ৭৫ কোটি ব্যয়ে ১৩২/৩৩ কেভি গ্রীড উপকেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয় গত বছরের মার্চ মাসে যা আগামী ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারীর মধ্যে শেষ করার কথা।

বাগমারায় বিদ্যুৎ সাব স্টেশনের কাজের খুবই ধীরগতি এমন অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে চলমান কার্যক্রম দেখতে আসেন রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলগাজ্ব কাজী কেরামত আলী। এ সময় রাজবাড়ীর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম কামরুল ইসলাম গোলদার, ওয়েস্ট জোন পাওয়ার গ্রিড ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের নির্বাহী প্রকৌশলী মহম্মদ আশিকুর রহমান, বিএনএফ এর কর্মকর্তা নাছির উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলী বলেন, পাওয়ার গ্রীড সাবস্টেশন রাজবাড়ীবাসির দির্ঘ দিনের দাবী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন জেলার চলমান প্রকল্পগুলোর দিকে নজর দিতে। এবং উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডগুলোকে পরিদর্শন করতে। তাই আজ আমরা নির্মানাধীন পাওয়ার গ্রীড সাব স্টেশন পরিদর্শনে এসেছি। এখানে এসে দেখলাম কাজের ধীরগগতি আছে। আমরা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দিয়েছি যাতে আগামী জানুয়ারী ২০ তারিখের মধ্যেই কাজ সমাপ্ত করা হয়। 

রাজবাড়ীর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম কামরুল ইসলাম গোলদার বলেন, রাজবাড়ী জেলায় প্রতিদিন ওজোপাডিকোর ২২ মেগাওয়াট, পিডিবির ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ও পাংশা উপজেলার জন্য ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়। পাংশা উপজেলার বিদ্যুৎ পার্শবর্তী কুষ্টিয়া জেলা থেকে নেওয়া হয়। আমরা যদি পাংশা উপজেলাকে আমাদের সাথে যুক্ত করি। এই স্টেশন নির্মান শেষ হলে খরচ করেও আমাদের বাড়তি বিদ্যুৎ থেকে যাবে।

ওয়েস্ট জোন পাওয়ার গ্রিড ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের নির্বাহী প্রকৌশলী মহম্মদ আশিকুর রহমান বলেন, এই কাজটি করার কথা ছিলো সিমেন্স নামে একটি প্রতিষ্ঠানের তারা আবার সাব ঠিকাদারর হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বিএনএফ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে। তিনি আরো জানান, এরই মধ্যে এই প্রকল্পের ৬০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। আশা করা হচ্ছে জানুয়ারী মাসের মথ্যেই কাজ সমাপ্ত হবে।