Opu Hasnat

আজ ১৬ অক্টোবর বুধবার ২০১৯,

যুবলীগ কর্মী পল্টু হত্যা মামলার আসামীদের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন চুয়াডাঙ্গা

যুবলীগ কর্মী পল্টু হত্যা মামলার আসামীদের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন

দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনায় যুবলীগ কর্মী পল্টু হত্যা মামলার আসামীদের ফাঁসির দাবীতে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী সহ সর্বস্তরের জনগণ মানববন্ধব ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত করেছে। মঙ্গলবার বিকাল ৫ টার দিকে দর্শনা রেল বাজারে  ১ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রাস্তার দুই পাশে হাজারো মানুষ এই মানববন্ধনে উপস্থিত হয়। মানববন্ধনে আওয়ামীলীগর নেতা কর্মী, এলাকার নারী, পুরুষ সাধারন মানুষসহ সর্বস্তরের দর্শনাবাসীর এক টাই দাবী যুবলীগ কর্মী পল্টু হত্যা মামলার আসামীদের ফাঁসি চাই। এর আগে মঙ্গলবার সকালে এই মানববন্ধনে দর্শনাবাসী উপস্থিত হওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়।

মানববন্ধন ও আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন দর্শনা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব গোলাম ফারুক আরিফ। বক্তব্য রাখেন দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মঞ্জু, দর্শনা পৌর আওয়মীলীগের সাধারন সম্পাদক ও পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান, দর্শনা পৌর আওয়মীলীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, দর্শনা রেল বাজার কমিটির সভাপতি টিপু সুলতান, অংকুর আদর্শ বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান, সাবেক শ্রমিক নেতা মো: আজিজুল হক।

এ সময় বক্তারা বলেন, যুবলীগ কর্মী পল্টু হত্যা মামলার আসামীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি না হওয়া পর্যন্ত রাজ পথে থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুশিয়ারী দেন।

উল্লেখে, গত ২৩ আগস্ট যুবলীগ কর্র্মী নাইমুল ইসলাম পল্টু বিকেলে সহকর্মিদের নিয়ে দর্শনা পুরাতন বাজার রেলগেট নামকস্থানে একটি চায়ের দোকানে বসেছিল। এ সময় দামুড়হুদ উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক আব্দুল মান্নান, দর্শনা পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ  আসলাম আলী তোতা যুবলীগ নেতা দিপু রেজা, বাংলা, আলম, সোহেল ও আশিক সহ ১০/১২ জন এসে তার পেটের নিচে চাকু মারে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে পালিয়ে যায়। এ সময় স্থানীয়রা তাকে মূমুর্ষূ অবস্থায় উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে। নিহত পল্টুর লাশ ময়না তদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে নেয়া হয়। এলাকায় আইন শৃখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। 

খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পুলিশের বেরিকেট টপকিয়ে যুবলীগ,  আওয়ামী লীগের ও ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা শহরে লাশ নিয়ে মিছিলের চেষ্টা করে । পরে দর্শনা পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান ও দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি সুকুমার বিশ্বাসের কথায় ও আসামীদের আটকের প্রতিশ্রুতিতে পরিবেশ কিছুটা শান্ত হয়। পরের দিন নিহতের বড় ভাই পৌর কাউন্সিলর মইন উদ্দিন মন্টু বাদি হয়ে দামুড়হুদা মডেল থানায়  দামুড়হুদা উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক আব্দুল মান্নান, দর্শনা পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ  আসলাম আলী তোতা, যুবলীগ নেতা দিপু রেজা, বাংলা, আলম, সোহেল ও আশিক সহ অজ্ঞাত ১০/১২ জনের নামে মামলা করেন।