Opu Hasnat

আজ ১৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ২০১৯,

রেলওয়ের প্রয়োজনে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবেই : রেলমন্ত্রী নীলফামারী

রেলওয়ের প্রয়োজনে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবেই  : রেলমন্ত্রী

নীলফামারীর সৈয়দপুর থেকে সৈয়দা রুখসানা জামান শানু : বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রয়োজনে অবৈধ দখলকৃত জমিসহ কোয়ার্টার বাংলো থেকে দখলদার উচ্ছেদ করা হবেই। সে সাথে সকল রেলওয়ের ভূসম্পত্তি রেগুলারাইজ করা হবে। রেলওয়ের উন্নয়নের জন্যই এটা করা হচ্ছে। পরবর্তীতে এগুলো আস্তে আস্তে শৃঙ্খলার মধ্যে আনার জন্য ব্যবস্থা নেয়া হবে।  

রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ইউএস বাংলার একটি উড়োজাহাজে পঞ্চগড় থেকে ঢাকায় যাওয়ার পথে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে রেলমন্ত্রী এ্যাড. নুরুল ইসলাম সুজন উপরোক্ত মন্তব্য করেন। 

এসময় মন্ত্রী আরও বলেন, এবার উচ্ছেদ নোটিশ দেওয়ার ফলে যারা দালালদের মাধ্যমে অবৈধভাবে দখল করে আছে তারা নতুন করে লীজ দেয়ার জন্য আবেদন করবে। যারা অবৈধভাবে আছেন তাদের আবেদনের সুযোগ আছে। দালালমুক্ত হয়ে তারা আবেদন করলে সরকার তাদের আবেদন ভেবে দেখবে। রেলওয়ের জমি ও অন্যান্য স্থাপনা নানা ভাবে বেদখল হয়ে গেছে। আমাদের উন্নয়নের সাথে সাথে রেলওয়ের যেসকল জমি অবৈধভাবে দখলদারদের কবলে রয়েছে সেগুলো ধীরে ধীরে দখলমুক্ত করা হবে। উচ্ছেদের যে বিষয়টি এসেছে তা অবশ্যই করা হবে। রেলওয়ের উন্নয়নের প্রয়োজনেই এমনটা করা হচ্ছে। এভাবে দখলকৃত জমি ও কোয়ার্টার বাংলো দখলমুক্ত করে সেগুলো একটা শৃঙ্খলার মধ্যে এনে প্রয়োজননূযাীা কাজে লাগানো হবে। অন্যগুলো সে অনুযায়ী ব্যবস্থাপনায় সুবিন্যস্ত করা হবে। 

যারা রেলওয়ের জমি বা কোয়াটার দখল বা বিক্রির সাথে জড়িত আছেন তাদের কাছ থেকে দখল জমি ও কোয়ার্টার উদ্ধার করা হবে এবং জমি দখল ও কোয়ার্টার বিক্রির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা অবশ্যই গ্রহণ করা হবে। রেলওয়ের সম্পদ কারো ব্যক্তি সম্পদ নয়। এটা জনগণের তথা রাষ্ট্রের সম্পদ। তাই এ সম্পদ কুক্ষিগত করে কেউ ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করতে চাইলে তাদের কোনভাবেই ছাড় দেওয়া হবেনা।

বার বার উচ্ছেদ অভিযানের নোটিশ দেওয়া হলেও তা বার বারই থমকে যায়। কিন্তু এবার কোনভাবেই উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ করা হবেনা। যে কোন মূল্যে অবৈধ দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ করা হবেই। এক্ষেত্রে কোন প্রকার টালবাহানার কোন সুযোগ নেই।

মন্ত্রী সৈয়দপুর রেলওয়ে সেতু কারখানার বেহাল অবস্থা সম্পর্কে বলেন, অচিরেই এই কারখানাটি সংস্কার করা হবে এবং নষ্ট হওয়ার পথে প্রায় দেড়শ’ কোটি টাকার মেশিনপত্র আধুনিকায়নের মাধ্যমে কারখানাটি নতুন করে সচল করা হবে। এসময় তার সাথে ছিলেন, নীলফামারী-১ আসনের এমপি আফতাব উদ্দিন সরকার রেলওয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।