Opu Hasnat

আজ ১৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ২০১৯,

ফের সক্রিয় দালাল চক্র

দৌলতদিয়া ঘাটে ট্রাক পারাপারে ফের চাঁদাবাজি রাজবাড়ী

দৌলতদিয়া ঘাটে ট্রাক পারাপারে ফের চাঁদাবাজি

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার খ্যাত রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ট্রাক পারাপারে চাঁদাবাজি থামানো থামছেই না। এ চক্রের কাছে জিম্মি দৌলতদিয়া ঘাট দিয়ে চলাচলকারী হাজার হাজার পন্যবাহি ট্রাক চালকরা।

শনিবার হামিদুল ইসলাম (৩৫) নামের এক ট্রাক চালক ফেরির টিকিট মূল্যের চেয়ে ৫৪০ টাকা বেশী দিয়েও রক্ষা পায়নি। অতিরিক্ত আরো ২ হাজার টাকা চাঁদার দাবিতে ওই ট্রাক চালককে মারপিট করে এই চাঁদাবাজ চক্র। পরে ট্রাক চালক হামিদুল ইসলামকে উদ্ধার করে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ। এসময় আব্দুল্লাহ (২৮) নামের এক চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ ঘটনায় দ্রুত বিচার আইনে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী ট্রাক চালক।

ট্রাক চালক হামিদুল ইসলাম জানান, তিনি কুষ্টিয়া থেকে চাউল বোঝাই ট্রাক নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে শনিবার ভোরে দৌলতদিয়া ঘাটে পৌছান। এসময় দৌলতদিয়া ঘাটে দালাল চক্র টিকিটের জন্য তার কাছ থেকে ২ হাজার টাকা আদায় করে। তার ট্রাকটি ফেরিতে উঠার আগে ওই দালালদের কাছে ফেরি টিকিট চান। এসময় দালালরা তার কাছে আরো ২ হাজার টাকা দাবি করেন। তিনি (ট্রাক চালক) দালালদের বলেন, টিকিটের দাম ১৪৬০ টাকা, আমিতো ৫৪০ টাকা বেশী দিয়েছি। আরো টাকা দেব কেন? তাছাড়া আমার কাছে খরচার টাকার অতিরিক্ত টাকা নেই। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে দালালরা তার ট্রাকটি ফেরিতে উঠতে না দিয়ে তাকে মারপিট শুরু করে। পরে বিষয়টি তিনি তার মালিককে জানান। এক পর্যায়ে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে এবং আব্দুল্লাহ নামে একজনকে গ্রেফতার করে।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি রবিউল ইসলাম জানান, শনিবার সকালে যুদ্ধাহত একজন মুক্তিযোদ্ধা সকালে কুষ্টিয়া থেকে তাকে ফোন করে তার ট্রাক চালককে অতিরিক্ত টাকার জন্য মারপিট করা হচ্ছে বলে জানালে তিনি দ্রুত সেখানে গিয়ে তাকে উদ্ধার ও এক চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত ব্যাক্তি এ ঘটনায় জড়িত আরো ৫/৬ জনের নাম বলেছে। যারা ওই সময় সেখান থেকে পালিয়েছিল। চাঁদাবাজির অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে থানায় মামলা হয়েছে।