Opu Hasnat

আজ ৭ ডিসেম্বর শনিবার ২০১৯,

সালথায় ধর্ষণে কুমারী অন্তঃসত্ত্বা : ধর্ষক গ্রেফতার নারী ও শিশুফরিদপুর

সালথায় ধর্ষণে কুমারী অন্তঃসত্ত্বা : ধর্ষক গ্রেফতার

ফরিদপুরের সালথায় ধর্ষণের পরে ২৪ বছরের এক কুমারী অন্তঃসত্ত্বা হলে জোরপূর্বক মৃত সন্তান প্রসব করানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলায় ধর্ষক সামচুল হক খান (৫৮) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সামচলু উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চরবাংরাইল গ্রামের মৃত মালেক খানের ছেলে। এসময় লাইলী বেগম (৪০) নামে এক বিধবা মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়। 

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, পাতানো আত্মীয়তার সুযোগ নিয়ে ঐ কুমারী মেয়েটিকে কিছুদিন আগে বাড়িতে বেড়ানোর কথা বলে এনে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সামচুল হক খান। লজ্জার ভয়ে মেয়েটি কারো কাছে মূখ খোলেনি। পরে ৫/৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হলে পারিবারিকভাবে বিষয়টি জানাজানি হয়। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর শুণে সামচুল হক শনিবার মেয়েটিকে গর্ভপাত করানোর জন্য ইনজেকশন পুষ করান। ইনজেকশন করার পর মেয়েটির প্রসব বেদনা বাড়তে থাকে। এই অবস্থায় মেয়েটিকে বল্লভদি ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া গ্রামের মৃত বেদন মোল্যার মেয়ে লাইলী বেগম (বিধবা) এর বাড়িতে গিয়ে তাকে রেখে আসেন। সন্ধ্যায় ঐ কুমারী প্রসব বেদনায় ডাক-চিৎকার করতে থাকলে এলাকাবাসি পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ রাত ৯টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। রাত আনুমানিক  দেড়টার দিকে হাসপাতালে ঐ কুমারীর মৃত সন্তান প্রসব হয়। এঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে সালথা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ঐ মেয়েটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। 

সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ দেলোয়ার হোসেন খান বলেন, ধর্ষণ অতঃপর অন্তঃসত্ত্বা কুমারীর জোরপূর্বক গর্ভপাত করানোর ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। মামলার আসামী সামচুল হক ও লাইলী বেগমকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।