Opu Hasnat

আজ ১৬ সেপ্টেম্বর সোমবার ২০১৯,

চুয়াডাঙ্গায় ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি, হাসপাতালে ভর্তি ১৩২ চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গায় ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি, হাসপাতালে ভর্তি ১৩২

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগির সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। বাড়তি রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এ দিকে হাসপাতালে স্যালাইন সংকটের কারনে রোগীদের পড়তে হচ্ছে বিপাকে। আসনসংখ্যা সিমীত হওয়ার কারনে হাসপাতালের বারান্দাসহ বিভিন্নস্থানে চিকিৎসা নিচ্ছে রোগীরা। টানা কয়েকদিনের ভ্যাপসা গরমে এমনটি হচ্ছে বলে মন্তব্য চিকিৎসকদের। শনিবার শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ১৩২ জন রোগী চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি ছিলো। রোগীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মন্তব্য চিকিৎসকদের। এদিকে, কয়েকদিনের টানা ভ্যাপসা গরমে ডায়রিয়াসহ অন্যান্য রোগেও আক্রান্ত হচ্ছে সব বয়সের মানুষ। গতকাল শনিবার সদর হাসপাতালের বহি:বিভাগে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ৮৭৪ জন আর আন্ত:বিভাগে ভর্তি ছিলো পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডে ৯১ জন, মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে ৮২ জন রোগী।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের কার্ডিওলজি কনসালটেন্ট ডা.আবুল হোসেন বলেন, আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে ভ্যাপসা গরম পড়ে, সে কারনে বেশীরভাগ মানুষ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। শুধু তাইনা, গরমে অ্যাজমা, ঠান্ডাজনিত রোগ, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট হতে পারে। এর থেকে পরিত্রাণ পেতে সঠিক সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। আমরা সব সময় হাসপাতালে সচেতনতামুলক প্রচারনা চালিয় যাচ্ছি।

অপরদিকে, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে দেখা দিয়েছে স্যালাইন সংকট। স্যালাইন সংকটের কারনে রোগীদের পড়তে হচ্ছে বিপাকে। আর এ সংকটাপন্ন মুহুর্তে জনস্বার্থে এগিয়ে আসলেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াশীমুল বারী ও চুয়াডাঙ্গা পৌর পরিষদ। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াশীমুল বারী তার নীজ অর্থায়নে ৫৫ ব্যাগ স্যালাইন প্রদান করেন। তিনি সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শামীম কবীরের নিকট স্যালাইনগুলো বুঝিয়ে দেন। অপরদিকে, পৌর মেয়র ওবায়দুর রহমান চৌধুরী জিপু চুয়াডাঙ্গা পৌর পরিষদের পক্ষ থেকে ৭০ ব্যাগ স্যালাইন চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা. এএসএম মারুফ হাসানের নিকট বুঝিয়ে দেন।