Opu Hasnat

আজ ১৬ সেপ্টেম্বর সোমবার ২০১৯,

ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নামেই ৫০ শয্যা! স্বাস্থ্যসেবাসুনামগঞ্জ

ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নামেই ৫০ শয্যা!

সুনামগঞ্জের ছাতকে ৩ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবায় ৫ জন মেডিকেল অফিসার। পাশপাশি উপজেলা দোয়ারা বাজার ও কোম্পানীগঞ্জের আরো প্রায় ২ লাখ সহ ৫ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ৩০ শয্যার এ হাসপাতালটিকে ৪ তলার নতুন ভবন নির্মান করে গত বছর ৫০ শয্যায় উন্নিত করলেও ৫০ শয্যার কোন কার্যক্রম শুরু হয়নি এ হাসপাতালে। প্রায় ১ বছরের উপরে ৪ তলা নবনির্মিত ভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। অনেক রোগীদের অভিযোগ ৫ টাকা দিয়ে টিকেট করে ৫ টাকার ওষধ ও দেওয়া হয়না হাসপাতাল থেকে। অনেক সময় শিশুদের জ্বর সর্দি কাশির ওষুধও থাকেনা হাসপাতালে। হাসপাতালের গুরুর্ত্বপূর্ন পদ গুলি খালি থাকায় আরো অবস্থায় নাজুক হয়ে পড়েছে চিকিৎসা সেবার। হাসপাতালের প্রশাসনিক গুরুর্ত্বপূর্ন পদ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, আবাসিক মেডিকেল অফিসারের পদ খালি রয়েছে। এছাড়া ২১জন ডাক্তারের মধ্যে কর্মরত রয়েছেন ৫ জন। দন্ত চিকিৎসক ১ জন থাকলেও যন্ত্রপাতির অভাবে চিকিৎসা না করে তিনি শুধু হাসপাতালে যাওয়া আসাতেই সীমাবদ্ধ রয়েছেন। হাসপাতালের আরো গুরুর্ত্বপূর্ন পদ ফার্মাসিষ্ট ২টি পদই খালি থাকায় ঔষধ বিলি করছেন অপেশাদার লোকজন। হাসাতালের অন্যান্য পদের লোকজন অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসাবে কাজ করে থাকেন। অফিস সহকারী ৩টি পদের মধ্যে কর্মরত রয়েছেন ১জন ২টি পদই খালি রয়েছে। ল্যাবরেটরী টেকনিশিয়ান পদের একই অবস্থা। দীর্ঘ দিন ধরে নিরাপত্তা প্রহরির দুটি পদই খালি রয়েছে। এতে হাসপাতালে প্রায়ই চুরি ডাকাতি হয়ে থাকে। বিশুদ্ধ পানির অভাবে হাসপাতালের কর্মকর্তা কর্মচারীরা পুকুর সহ অন্যত্র পানি ব্যবহার করছেন। হাসপাতালে ৩টি নলকুপ দিয়ে আয়রন যুক্ত পানি বের হওয়ায় রোগীরা পানি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। 

ছাতক পাথর ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিডেটের পরিচালক হাজী বুলবুল আহমদ জানান, আমরা এ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা সেবা গ্রহন না করলেও অসহায় বঞ্চিতদের সঠিক ভাবে চিকিৎসা দিতে পারছেনা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। 

এ ব্যাপারে হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার মাছুম বিল্লাহ জানান হাসপাতালের কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিভিন্ন পদ খালি থাকায় চিকিৎসা সেবায় ব্যাঘাত ঘটছে। পর্যাপ্ত জনবল থাকলে সমস্যাগুলো দুর হবে।