Opu Hasnat

আজ ২৫ আগস্ট রবিবার ২০১৯,

নীলফামারী হাসপাতালে ১২ দিনে ৩৪ ডেঙ্গু সনাক্ত নীলফামারী

নীলফামারী হাসপাতালে ১২ দিনে ৩৪ ডেঙ্গু সনাক্ত

নীলফামারী থেকে সৈয়দা রুখসানা জামান শানু : নীলফামারীতে ১২ দিনে ৩৪ জন ডেঙ্গু রোগি সনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে গত সোমবার (৫ জুলাই) বিকাল পর্যন্ত নীলফামারী সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে চার জন। 

চিকিৎসাধীনরা হলেন, জেলা শহরের সরকার পাড়া গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে আজিনুর রহমান (২২), রামনগর ইউনিয়নের বাহালীপাড়া গ্রামের সুরত আলীর ছেলে মাজেদুল ইসলাম (৩০), একই গ্রামের ইসলাম উদ্দিনের ছেলে দুলু মিয়া (২২) ও  লক্ষীচাপ ইউনিয়নের লক্ষ্মীচাপ গ্রামের রিয়াজুল ইসলামের ছেলে  মো. রায়হান ইসলাম (১৭)। 

গত ২৫ জুলাই থেকে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ওই হাসাপাতলে ভর্তি হয়েছে মোট ১৪ জন। তাদের মধ্যে জেলা সদরের চড়াইখোলা ইউনিয়নের পশ্চিম কুচিয়া মোড় গ্রামের ভূষণ রায়ের ছেলে পরিতোষ চন্দ্র রায়কে (২৮), (১ আগস্ট) জেলা শহরের গাছবাড়ী এলাকার নমির উদ্দিনের ছেলে আব্দুল লতিফ (৪৫), (২ আগস্ট) ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের দোলাপাড়া গ্রামের আশরাফ আলী ছেলে রিয়াজুল ইসলামকে (২৫), (৩ আগস্ট) জেলা শহরের শান্তিনগর গ্রামের দুলাল হোসেনের ছেলে ফারুক হোসেন (২২), (২ আগস্ট) সবুজপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে লিখন ইসলামকে (১৮), (৫ আগস্ট) রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

চিকিৎসায় সুস্থ্য হয়ে বাড়িতে ফিরেছে জেলা সদরের  রামনগর ইউনিয়নের দোলাপাড়া গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে আব্দুর রহিম (২৫), চরড়াবড়গাছা ইউনিয়নের কিসামত দুলুয়া গ্রামের মানিক চন্দ্র রায়ের ছেলে সুজন রায় (১৫), ডোমার উপজেলার ধরনীগঞ্জ গ্রামের লক্ষীচরণ রায়ের ছেলে হরিদাস রায় (২৯), জেলা শহরের গাছবাড়ি এলাকার জাহাঙ্গীর হোসেনের মেয়ে পপি অক্তার (২০) পুরাতন স্টেশনপাড়া গ্রামের বাবুল হোসেনের ছেলে মহসীন আলী (১৮)।

সিভিল সার্জন রনজিৎ কুমার বর্মন বলেন,  সোমবার (৫ আগষ্ট) পর্যন্ত জেলায় ৩৪ জন ডেঙ্গু রোগি সনাক্ত হয়েছে। তারা সকলেই ঢাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এলাকায় এসেছে। তাদের মধ্যে কেউ হাসপাতালে, কেউ বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছে, কেউ সুস্থ্য হয়েছে, আবার অনেকে জেলার বাইরের হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে।

তিনি বলেন, নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগের পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং চিকিৎসার কোনো সমস্যা নেই। ডেঙ্গু যাতে না ছড়ায় সে ব্যাপারে জনগনকে সচেতন করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য কর্মীরা মাঠে কাজ করছেন। সচেতনতা মূলক মাইকিং করা হচ্ছে। জ্বর হলে সরকারি হাসপাতালে আসার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।