Opu Hasnat

আজ ২১ অক্টোবর সোমবার ২০১৯,

মুকসুদপুরে পল্লী বিদ্যুতের অনিয়ম, অতিরিক্ত বিলের কারনে গ্রাহক ভোগান্তি গোপালগঞ্জ

মুকসুদপুরে পল্লী বিদ্যুতের অনিয়ম, অতিরিক্ত বিলের কারনে গ্রাহক ভোগান্তি

গোপালগঞ্জ জেলার  মুকসুদপুর উপজেলায় ১টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন নিয়ে মুকসুদপুর উপজেলা গঠিত হয়েছে। গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী এলাকা) আসনের সংসদ সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মুহাম্মদ ফারুক খানের ঐকান্তি প্রচেষ্টায় এ উপজেলায় শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পেয়েছে। এ জন্য উপজেলার শতভাগ মানুষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং স্থানীয় এমপি মুহাম্মদ ফারুক খানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

গোপালগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি মুকসুদপুর জোনাল অফিস প্রতিমাসে গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল অনিয়ম করায় গ্রাহকরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। মিটার হিসাবে বিদ্যুৎ বিলের কাগজের কোন মিল নাই। সম্পুর্ন অনিয়ম ভাবে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। অনিয়মের কারনে এলাকায় বিদ্যুৎ বিলের কাগজ সরবারহ করতে গেলে গস্খাহকরা তাদের আটকে রাখছে বলেও জানা গেছে।

মঙ্গলবার ৩০ জুলাই ২০১৯ইং তারিখে খান্দারপাড় ইউনিয়নের শিমুলতলা বাজারে মিটার রিডার কাম মেসেনজার আলাউদ্দিন গ্রাহকের বিলের কাগজ দিতে গেলে বিলের মধ্যে অনিয়ম ধরা পড়লে এলাকার শত শত জনতা তাকে আটকে রাখে। পরে মুকসুদপুর জোনাল অফিসের কর্মকর্তারা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যেয়ে তাকে উদ্ধার করেন।

এ সময় স্থানীয় সাংবাদিকরা সংবাদে পেয়ে ঘটনাস্থলে যেয়ে বিষয়টি জানার চেষ্টা করলে গ্রাহকরা জানান মিটার রিডার কাম মেসেনজার আলাউদ্দিন যখন মিটার হতে ইউনিটের হিসাব নেযার সময় গ্রাহকে জানান ৫০ ইউনিট পুড়েছে অথচ বিলের কাগজে ৫৫ ইউনিট লেখা হয়েছে। গ্রাহকরা তাকে আটকে রেখে ৫ ইউনিট বেশী হওয়ার বিষয়টি তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এইটা অফিসের বেশী করার নিয়ম। এ ভাবে প্রায় প্রাহকের বিলের কাগজে অনিয়ম দেখা যাচ্ছে।

এছাড়া মুকসুদপুর উপজেলার ঈদগাহ সুপার মার্কেটের দক্ষিন প্লাজায় পৌর কাউন্সিলার আলী আহম্মেদ মোল্যার ভাড়া অফিসে একটি ফ্যান ও ২টি বাল্ব জ্বালিয়ে জুলাই /২০১৯ মাসে বিল এসেছে ২১ হাজার ৮ শত ৩৫ টাকা। অথচ প্রতি মাসে বিল হয় ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। পরে অফিসে নিয়ে গেলে পল্লী বিদ্যুত কর্তৃপক্ষ তা সংশোধনী করে ২০৫ টাকা করে দেয়।

মুকসুদপুর জোনাল অফিসের ডিজিএম মো: মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে সাংবাদিকরা এই সকল অনিয়ম ও বিলের বিষয়ে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান, অফিসের বাহিরে আছি অফিসে যেয়ে জানাবো। বর্তমান  ডিজিএম মো: মোস্তাফিজুর রহমান যোগদানের পর হতে এই ধরনের অনিয়ম বিল বেশী হচ্ছে বলে ভুক্তভোগি গ্রাহকরা জানান।

এই বিভাগের অন্যান্য খবর