Opu Hasnat

আজ ২৫ আগস্ট রবিবার ২০১৯,

যশোরে ‘নিউট্রি-চ্যাম্পস’ প্রতিযোগিতা ‘রাঁধিও খাই, পুষ্টি ভুলি নাই!’ লাইফ স্টাইলযশোর

যশোরে ‘নিউট্রি-চ্যাম্পস’ প্রতিযোগিতা ‘রাঁধিও খাই, পুষ্টি ভুলি নাই!’

‘নিউট্রি-চ্যাম্পস’ প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় পর্ব শনিবার (২৭ জুলাই) যশোরের জাবীর হোটেল এ অনুষ্ঠিত হয়। ‘জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০১৯’ উপলক্ষ্যে এই রান্নার প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়েছিল ঢাকায়, যার মাধ্যমে যাত্রা শুরু হয়েছিল নিউট্রি-চ্যাম্পস প্রতিযোগিতার, যা আগামী কয়েক মাস ধরে দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে চলবে। এই প্রতিযোগিতার স্লোগান হল: ‘রাঁধিও খাই, পুষ্টি ভুলি নাই!

প্রতিযোগিতাটির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে তরুণ-তরুণীদের রান্নায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে পুষ্টিকর ও সুস্বাদু খাবার তৈরিতে উৎসাহ প্রদান। এর ফলে দৈনন্দিন খাদ্যভাসে স্বাস্থ্যকর খাবারের উপস্থিতি নিশ্চিত করা যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। 

“রান্না করার সময় আমরা অনেকেই খেয়াল রাখিনা খাবার এর পুষ্টি গুনাগুন এর ব্যাপারটা। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আমরা জানতে চাই আমাদের দৈনন্দিন জীবনের খাদ্যাভ্যাসকে কিভাবে আরও বেশি পুষ্টিগুণ সম্পন্ন করতে পারবো, বলেন, প্রতিযোগী শারমিন নাহার। সরকারি এম এম কলেজ, যশোর। 

প্রতিযোগিতায় দশটি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে রান্নায় আগ্রহী ২০ কে বাছাই করা হয়েছে। প্রতিযোগীরা দুই জন করে এক একটি দল গঠন করে প্রতিযোগীয় অংশ নেন। অনুষ্ঠানটির উপস্থাপনায় ছিলেন বিশিষ্ট রন্ধনশিল্পী ও বিশেষজ্ঞ নাহিদ ওসমান এবং টেন মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও সেলিব্রিটি ইয়ুথ আইকন আয়মান সাদিক।
 
রন্ধনশিল্পী নাহিদ ওসমান বলেন, “শুধু দামি দামি বিদেশী খাবার না, আমাদের অতিসহজলভ্য ঘরোয়া খাবারের উপকরণের মধ্যেই অনেক পুষ্টি আছে। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আমরা নতুন প্রজন্মকে জানাতে চাই পুষ্টিকর কি কি খাবার খেতে হবে, কিভাবে রান্না করতে হবে এবং কখন খেতে হবে”।

প্রতিযোগিতার পরে বিচার করা খাবারের মান ও স্বাদ বিচার করেন এবং শীর্ষ দুইটি দল নির্বাচন করেন। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছেন যশোর সরকারি মহিলা কলেজ এর প্রতিযোগীরা এবং দ্বিতীয়স্থান অধিকার করেছেন আদ-দ্বিন সাকিনা মেডিক্যাল কলেজ এর শিক্ষার্থীরা। আঞ্চলিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার পর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে গ্র্যান্ডফিনালে যেখানে সব কটি বিজয়ী দল অংশগ্রহণ করবে। 

নিউট্রি-চ্যাম্পস :  
ইউএসএআইডি’র বিভিন্ন প্রকল্পের অধীনে একটি উদ্যোগ “নিউট্রি-চ্যাম্পস” প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতাটি তরুণ-তরুণীদের স্বাস্থ্যকর ও বৈচিত্র্যপূর্ণ খাবার গ্রহণ, বিশেষ করে গবাদি, কৃষজ, পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব রাখবে বলে আশা করা যায়। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একটি আলোড়ন তৈরি করা হবে যা পর্যায়ক্রমে বিভাগীয় পর্যায়ে এবং তৃতীয় পর্যায়ে গ্র্যান্ডফিনালে আয়োজনে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।

ইউএসএআইডি : 
ইউএসএআইডি-এর মাধ্যমে আমেরিকার সরকার ১৯৭১ সাল থেকে এ যাবৎকাল পর্যন্ত উন্নয়নখাতে বাংলাদেশকে ৭ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থসেবা প্রদান করেছে। ২০১৮ সালে ইউএসএআইডি-এর বাংলাদেশকে প্রদত্ত অর্থের পরিমাণ ২১৯ মিলিয়ন ডলারেরও অধিক। ইউএসএআইডি এমন সব প্রকল্পে বাংলাদেশকে অর্থসেবা দিচ্ছে যার মাধ্যমে মানুষের জীবনের উন্নতি সাধনের নিমিত্তে খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক খাতের সুযোগসমূহ বিস্তৃত হবে, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নতি ঘটবে, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও গণতন্ত্রের অনুশীলন বাড়বে, পরিবেশ রক্ষার জন্য কাজ হবে এবং জলবায়ু পরিবর্তন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে।