Opu Hasnat

আজ ২২ অক্টোবর মঙ্গলবার ২০১৯,

কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলায় দুই জনের মৃত্যুদন্ড কুষ্টিয়া

কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলায় দুই জনের মৃত্যুদন্ড

কুষ্টিয়া মডেল থানার চাঞ্চল্যকর কিশোর লালচাঁদ হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদন্ড ও ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। সেই সাথে প্রত্যেকের ৫০হাজার টাকা জরিমানা আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

সোমবার (২৯ জুলাই) দুপুরে কুষ্টিয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতের বিচারক মুন্সী মো: মশিয়ার রহমান জনাকীর্ণ আদালতে আসামীদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষনা করেন। 

মৃত্যু দন্ডপ্রাপ্ত হলেন- কুষ্টিয়া সদর উপজেলার চৌড়হাস গ্রামের শহীদুল ইসলামের ছেলে জাহেদ ইবনে শহীদ ওরফে রানা এবং ঝিনাইদহ শৈলকুপার গোলাম মোস্তফার ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে সজীব। যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্তরা হলেন- মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত জাহেদ ইবনে শহীদ ওরফে রানার সহোদর সোহেল আহম্মেদ ওরফে সোহেল, চৌড়হাস কলোনীর বাসিন্দা কাইয়ুম বিহারীর ছেলে সোহেল রানা ওরফে হেলপার সোহেল, নাজিম উদ্দিনের ছেলে শাহিন উদ্দিন ওরফে লম্বা শাহিন, মঞ্জিল হোসেনের ছেলে জনি, আমিরুল ইসলাম মিস্ত্রির ছেলে রিপন ওরফে মেঘা এবং নিজাম উদ্দিনের ছেলে সুমিন।  

আদালত সূত্রে জানায়, ২০১১ সালের ০৩ মার্চ সন্ধ্যায় এজাহারকারী নুর ইসলামের পূত্র লালচাঁদ (১১)কে আসামীরা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে লাঠি ও রড দ্বারা আঘাত করে মাটিতে ফেলে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়। এঘটনায় নিহত কিশোর লালচাদের পিতা বাদি হয়ে ৬জনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৫/৬জনের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া মডেল থানায় হত্যা মামলাটি তদন্ত শেষে ৮জন আসামীর সংশ্লিষ্টতা উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে দ:বি: ৩০২ ও ৩০২/৩৪ অভিযোগ এনে ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর আদালতে চার্যশীট দাখিল করেন পুলিশ। 

কুষ্টিয়া জজ কোর্টের সকরারী কৌশুলী এ্যাড. অনুপ কুমার নন্দী জানান, আসামীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের চার্জ গঠন পূর্বক দীর্ঘ স্বাক্ষ্য শুনানী শেষে চাঞ্চল্যকর এই কিশোর লালচাঁদ হত্যায় আসামীদের সংশ্লিষ্টতা সন্দেহাতীত প্রমানিত হওয়ায় এই রায় ঘোষনা করেন বিজ্ঞ আদালত। মৃত্যুদন্ড প্রাপ্তদের ধার্যকৃত প্রত্যেকের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা পরিশোধ না করলে স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রী করে পরিশোধ করতে বলা হয়েছে এবং যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্তদের ধার্যকৃত প্রত্যেকের ৫০হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১বছর কারাদন্ড ভোগ করতে হবে বলে নির্দেশ আদালতের। 

এমামলায় আসামী পক্ষের স্বাক্ষ্য শুনানীর কৌশুলী ছিলেন এ্যাড. কামরুজ্জামান।