Opu Hasnat

আজ ১৩ ডিসেম্বর শুক্রবার ২০১৯,

সুনামগঞ্জে এক মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে দৃর্বুত্তরা সুনামগঞ্জ

সুনামগঞ্জে এক মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে দৃর্বুত্তরা

সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ষোলঘর মসজিদের পাশ থেকে এক মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে কবরস্থানের পাশে ডেকে এনে রাস্তায় ফেলে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে দৃর্বুত্তরা। সে বর্তমানে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। আহতের  নাম মোঃ রাসেল মিয়া(২৬)। সে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার কোরবান নগর ইউনিয়নের মাইজবাড়ি গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা তারাঁ মিয়ার ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৭ জুলাই বুধবার রাতে। 

স্থানীয় ও আহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঐ মুক্তিযোদ্ধার ছেলে রাসেল মিয়ার মাইজবাড়ি বাজারে পান ভান্ডার নামে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিয়মিতভাবে ব্যবসা করে আসছিলেন। কিন্তু হামলার ঘটনার আনুমানিক ৫ দিন পূর্বে মাইজবাড়ি গ্রামের রইছ আলীর ছেলে সুবেল মিয়া, আপ্তাব উদ্দিনের ছেলে হাবিব মিয়া, মৃত মোক্তার আলীর ছেলে আনফর আলী ও তার সহোদর দিলফর আলী গংরা একটি ক্লাবের উন্নয়নের কথা বলে তার নিকট ৫০ হাজার টাকা চাদাঁ দাবী করে আসছিলেন। কিন্তু রাসেল টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার উপর ক্ষেপে গিয়ে তাকে দেখে নেয়ার ও হুমকি দেয়া হয় বলে জানা যায়। ঘটনার দিন রাতে রাসেল মিয়া পৌর শহরে প্রয়োজনীয় কাজ সেরে আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে পৌর শহরের ষোলঘর মসজিদের পাশে তাকে একা পেয়ে কবরস্থানের পাশে নিয়ে রাস্তায় ফেলে দুর্বৃত্তরা ব্যক্তিরা দাড়াঁলো দেশীয় অস্ত্র রামদা ডেগার ও রড দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপাতে থাকে। এতে রাসেল মিয়ার মাথা, গাড় ও শরীরের বিভিন্ন অংশে রামদার কুপে রক্তাক্ত জখম হয় এবং তার উপরের সারির ২ টি ও নীচের সারির ৪টি দাতঁ ভেঙ্গে ফেলে। সে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুঠিয়ে পড়লে হামলাকারীরা তাকে মৃত ভেবে পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন রাস্তায় একটি মানুষকে পড়ে থাকতে দেখতে এগিয়ে আসে এবং তাকে গুরুতর সংঞ্জাহীন অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়। ডাক্তাররা তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিলেও তার অবস্থা আশংঙ্খাজনক দেখে গত ১৮ জুলাই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সে বর্তমানে সিলেটে চিকিৎসাধীন থাকলেও তার অবস্থা গুরুতর বলে জানা যায়। এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান আহতের স্বজন সোনা মিয়া। 

এ ব্যাপারে আহতের স্বজন সোনা মিয়া জানান, গত কয়েকদিন আগে মুক্তিযোদ্ধার ছেলে রাসেল মিয়ার নিকট ওরা চাঁদা চেয়েছিল। রাসেল চাদাঁ না দেয়ায় ওরা তাকে প্রাণে মারার উদ্দেশ্যে দাড়াঁলো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। 

এ ব্যাপারে প্রতিপক্ষ সুবেল মিয়ার মোবাইল ফোনে যোগাযেগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্যে জানা সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সহিদুল ইসলাম জানান, অবিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আ্ইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।