Opu Hasnat

আজ ১৭ জুলাই বুধবার ২০১৯,

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস আজ জাতীয়

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস আজ

আজ ১১ জুলাই, বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। জনসংখ্যা ও উন্নয়নবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ২৫ বছর পূর্তিতে এর অর্জন মূল্যায়নের লক্ষ্যে এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, ‘জনসংখ্যা ও উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ২৫ বছর : প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়ন।’ আগামী ১২-১৪ নভেম্বর কেনিয়ার নায়রোবিতে অনুষ্ঠিত হবে ‘নায়রোবি সামিট’। এই সামিটের সামগ্রিক প্রতিপাদ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবারের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারন করা হয়েছে।

১৯৯০ সালের ১১ জুলাই প্রথমবার ৯০টি দেশে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্ত হয়।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি বলেছেন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আরও সক্রিয় ও আন্তরিকতার সঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে।

জনসংখ্যা উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রধান নিয়ামক। এ জনসংখ্যাকে কাম্য জনসংখ্যায় পরিণত করতে পরিকল্পিত পরিবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে আবদুল হামিদ বলেন, ‘পরিকল্পিত জনসংখ্যা, খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ অন্যান্য মৌলিক অধিকার পূরণের পাশাপাশি সুখী-সমৃদ্ধ দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশের আয়তন, অবস্থান, জনসংখ্যা, প্রাকৃতিক সম্পদ, পরিবেশ ও আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে পরিকল্পিত পরিবার গঠনের বিকল্প নেই।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে জোরদার করতে কেন্দ্রীয় থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সবাইকে একযোগে কাজ করে সেবার মান আরও বাড়াতে হবে। এ জন্য জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে সরকারের পাশাপাশি সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। 

বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে আজ দিবসটি বাংলাদেশেও পালিত হবে। দিবসটি পালনের লক্ষ্যে জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে র‌্যালি ও আলোচনা সভা।

এ ছাড়া বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও প্রাইভেট চ্যানেলগুলো বিশেষ কর্মসূচি সম্প্রচার করবে।

১৯৮৯ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির গভর্নিং কাউন্সিল জনসংখ্যা ইস্যুতে গুরুত্ব প্রদান ও জরুরি মনোযোগ আকর্ষণের লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়।