Opu Hasnat

আজ ১৬ জুলাই মঙ্গলবার ২০১৯,

সুনামগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শিশুকে অন্তসত্ত্বা করল দপ্তরী নারী ও শিশুসুনামগঞ্জ

সুনামগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন  দেখিয়ে শিশুকে অন্তসত্ত্বা করল দপ্তরী

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার কাঠইঁর ইউনিয়নে প্রেমের ফাদেঁ ফেলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর দিনমুজুরের এক কণ্যা শিশুকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষনের ফলে সে এখন ৪ মাসের অন্তসত্বা হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ধর্ষণকারীর নাম মুহিদ মিয়া (২৫)। সে কাঠঁইর ইউনিয়নের গোলেরগাঁও গ্রামের মোঃ আব্দুল মজিদের ছেলে। ধর্ষনকারী গোলেরগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী পদে কর্মরত আছেন।  

প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায় গত ৫ জুলাই ঐ শিশু মেয়েটি ৪ মাসের অন্তসত্বা হয়ে মৃত সন্তান প্রসব করেন । 

শনিবার রাতে হাসপাতালে গিয়ে ধর্ষিতা শিশু ও তার অভিবাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় দেড়বছর আগে গোলেরগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী মুহিদ মিয়া ঐ শিশু মেয়েটিকে প্রেম নিবেদন করতে থাকে এবং বিয়ে করার প্রলোভন দেখায় এই লম্পট। শিশুটি তখন পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী সে বরাবরই ছেলেটির প্রস্তাবকে প্রত্য্যাখান করে আসছিল।  এক সময় দিনমুজুরের কণ্যা শিশুটিকে ফুঁসলিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে প্রেমের ফাদেঁ ফেলে নেয়। লম্পট গত মার্চ মাস থেকে লাগাতারে ঐ ১২ বছরের শিশু মেয়েটিকে একাধিকবার  ধর্ষণের ফলে শিশুটি ৪ মাসের অন্তসত্ত¡া হয়ে পড়ে। ঐ অন্তসত্ত¡ার ঘটনাটি ছেলেকে জানালে ধর্ষনকারী বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়ে সে  গত ১জুলাই মেয়েটির গর্ভের সন্তানটিকে নষ্ট করার জন্য ঔষধ খাওয়াতে বাধ্য করে। মেয়েটি ঐ ঔষধ খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে  গত ৫ জুলাই সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে একটি মৃত সন্তান প্রসব করে। বর্তমানে মেয়েটি হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তারদের নিবির পর্যবেক্ষণে রয়েছে।  

এদিকে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ছেলের পক্ষের লোকজন মেয়েটির পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি দামকী দিয়ে আসছে বলে জানান মেয়েটি ও তার পিতাসহ আত্মীয় স্বজনরা। তারা বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন বলে সাংবাদিকদের  জানান শিশুটির পিতা। 

এ ব্যাপারী ধর্ষণকারী মোঃ মুহিদ মিয়ার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় জানতে পেরে মোবাইল ফোনের লাইনটি কেটে দেয়ায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। 


এ ব্যাপারে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান বিষটি শুনেই পুলিশকে হাসপাতালে পাঠান এবং ধর্ষিতা শিশুটির  খোজঁ খবর নেন। তিনি আরো বলেন এই ধরনের ঘটনায় যারাই অপরাধি হবেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।