Opu Hasnat

আজ ২১ জুলাই রবিবার ২০১৯,

কালকিনিতে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অব্যবস্থাপনার অভিযোগে কালব্যাজ ধারন মাদারীপুর

কালকিনিতে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অব্যবস্থাপনার অভিযোগে কালব্যাজ ধারন

মাদারীপুরের কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ হাসানুল সিরাজীর বিরুদ্ধে কলেজ পরিচালনায় অব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে ওই কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা ঘন্টাব্যাপী কালব্যাজ ধারন ও সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সোমবার সকালে কলেজ হলরুমে এ কর্মসুচি পালন করা হয়।

অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, গত ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ইং তারিখে কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজে অধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন মোঃ হাসানুল সিরাজী। এ যোগদানের পর থেকেই তার একগুয়েমী ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অব্যবস্থাপনায় কলেজ এক মারাতœক বিপর্যয়ের মুখে সমুখীন হয়। এ বিষয় শিক্ষক রা কর্তৃপক্ষকে বারবার অবগত করা সত্বেও কোন প্রতিকার পাননি। এ ছাড়াও ওই অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কলেজের শিক্ষকদের সঙ্গে অসৌজন্য মুলক আচারন ও কলেজের জুনিয়র শিক্ষকদের নিয়ে নিজে গ্রুপিং সৃষ্টি করাসহ নানান অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই সকল ঘটনার প্রতিবাদে কলেজের শিক্ষকরা কালব্যাজ ধারন ও সাংবাদিক সম্মেলন করেন।

এতে ভুক্তভোগী কলেজ শিক্ষক ইয়াকুব খান শিশির ও শিক্ষক কামরুজ্জামানসহ বেশ কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষকদের সাথে তার কলিগ সুলভ সম্পর্ক তিনি পছন্দ করেন না। তিনি মনে করেন শিক্ষকদের সাথে তার প্রভু-ভৃত্যের সম্পর্ক। নিজেই কলেজের একক মালিক সুলভ আচারন করেন। শিক্ষকদের কারনে অকারনে তিনি বিভিন্ন রকমের হুমকি প্রদর্শন করেন। অধ্যক্ষ হাসানুল সিরাজী তার এককেন্দ্রীক ও একগুয়েমী আচারনেই ২০১৮ইং সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয় ঘটে এবং অনার্স এ স্নাতক পাস পর্যায় ধস নামে। একই কারনে এ বছরও আরও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। আমরা তার অপসারনের দাবি জানাই।

অভিযুক্ত অধ্যক্ষ  হাসানুল সিরাজী বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সত্য নয়।

এ ব্যাপারে কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি তৌফিকুজ্জামান শাহিন বলেন, আমরা আগামী ১ জুলাই ম্যানেজিং কমিটির সভা ডেকেছি। ওই সভায় শিক্ষকদের কথা শুনে ঘটনা সততা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেব।