Opu Hasnat

আজ ১৩ নভেম্বর বুধবার ২০১৯,

যাদুকাটা নদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এক চাদাঁবাজ আটক সুনামগঞ্জ

যাদুকাটা নদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এক চাদাঁবাজ আটক

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বালিুজুরী ইউনিয়নের যাদুকাটা নদীর ফাজিলপুর হতে আনোয়ারপুর এলাকায় টোল টেস্ক আদায়ের নামে ছোটবড় বলগেট নৌকা আটকিয়ে চাদাঁবাজিকালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এক চাদাঁবাজকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত চাদাঁবাজের নাম মোঃ সেলিম মিয়া (২৫)। সে উপজেলার বালিজুরী ইউনিয়নের ফাজিলপুর গ্রামের মোঃ মুর্তূজ আলী (রাজা হাঁসের) ছেলে । আটককৃত ব্যক্তি ফাজিলুপুর ঘাটের ইজারাদার মোঃ কাশেম মিয়া ও ফয়সল মিয়ার আপন ভাই। এ সময় চাদাঁবাজচক্রের মূল হোতা বালিজুরী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য দক্ষিণকোল গ্রামের মোঃ নবাব মিয়ার ছেলে মোঃ বাবুল মিয়া (মেম্বার) পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। 

সোমবার বিকেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ ইমতিয়াজের নেতৃত্বে ফাজিলুরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে চাদাঁবাজচক্রের সদস্য সেলিম মিয়াকে চাদাঁবাজির সময় হাতেনাতে আটক করেন। এ সময় এই চাদাবাজঁচক্রের মূল হোতা বাবুল মিয়া (মেম্বার) পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন তাহিরপুর থানার এস আই মোঃ নজরুল ইসলাম। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় জেলা প্রশাসন থেকে চলতি বছর এই ঘাটটি ৪৫ লাখ টাকায় ইজারা নেন বালিজুরী ইউনিয়নের ফাজিলুপুর গ্রামের মুর্তূজ আলীর (রাজাহাসঁ) এর ছেলে মোঃ কাশেম মিয়া ও ফয়সল মিয়া। এই নদী দিয়ে প্রতিদিন ছোটবড় দুই /  তিন শতাধিক বলগেট নৌকা বালু ও পাথর বোঝাই করে আসা যাওয়া করে। সরকারের নির্ধারিত প্রতি বলগেট নৌকা করে ৬ শত টাকা করে টোল আদায়ের কথা থাকলেও ঐ চাদাবাঁজচক্রটি প্রতিটি বলগেট নৌকা আটকিয়ে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা চাদাঁ আদায় করেন। চাঁদা না দিলে নৌকার মাঝিদের শারীরিকভাবে নির্যাতন ও করা হয় বলে ও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুর অনেক নৌকার মাঝি জানান। 

এ  ব্যাপারে তাহিরপুর থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ আসাদুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।  এ  ব্যপারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী আসিফ ইমতিয়াজের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ না করার তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। 

এই বিভাগের অন্যান্য খবর