Opu Hasnat

আজ ২৬ আগস্ট সোমবার ২০১৯,

মল্লিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান, ৩০ হাজার জরিমানা স্বাস্থ্যসেবানড়াইল

মল্লিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান, ৩০ হাজার জরিমানা

নড়াইল সদর হাসপাতাল সড়কের মল্লিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলাউদ্দিন বৃহস্পতিবার ( ৯ মে) আদালত পরিচালনাকালে মাসুদ করিম নামে একজন চিকিৎসক তার শিক্ষাগত সনদ দেখাতে ব্যার্থ হন। এমনকি তার ব্যাবস্থাপত্রে লেখা ডিগ্রিতে প্রতারনার আশ্রয় নেয়ার প্রমান পান। ভ্রাম্যমান আদালতের বিজ্ঞ বিচারক তাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এ সময় ওই চিকিৎসক ও মল্লিক ডায়গনস্টিক সেন্টারের মালিক বিদ্যুৎ কুমার সান্যাল নড়াইল-২ আসনের সাংসদ মাশরাফি বিন মোর্ত্তজার নাম ভাঙ্গিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা করেন। অভিযোগ রয়েছে চরম দূর্ণীতি অনিয়ম ও নোংরা পরিবেশে মল্লিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা কার্যক্রম চলে। এক্স-রে, আল্ট্রাসনো ও প্যাথলজিক্যাল টেস্টের কক্ষ খুবই সংর্কীর্ণ এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। ডাক্তারদের চেম্বারের অবস্থাও খুবই নাজুক। এখানে রোগিদের সেবার কোন সুযোগ না থাকলেও টাকা কামাইয়ের সমস্ত রকমের ফাঁদ পাতা আছে। 

জানা গেছে, প্রয়োজনীয় রি-এজেন্ট না থাকা সত্বেও অতীব গুরুত্বপূর্ণ টেস্ট করে থাকেন। নড়াইল শহর সহ সারা জেলাব্যাপী ও পাশ্ববর্তী জেলায় নিয়মিত এ প্রতিষ্ঠানে রোগি টানার জন্য মাইকিং করা হয়। গ্রাম্য হাতুড়ে ডাক্তারদের কমিশন চুক্তিতে টাকা দিয়ে রোগি ধরে আনেন ধূর্ত বিদ্যুৎ কুমার স্যান্যাল। তিনি নিজে ও পোষা দালাল দিয়ে নড়াইল সদর হাসপাতাল থেকে রোগি ভাগিয়ে আনেন। অদক্ষ টেকনিশিয়ান দিয়ে তিনি পরীক্ষা নিরীক্ষার কার্যক্রম চালান। গুঞ্জণ আছে চিকিৎসক না থাকলে মল্লিক ডায়গনস্টিক সেন্টারের মালিক বিদ্যুৎ কুমার সান্যাল নিজেই মনগড়া রিপোর্ট তৈরী করে দেন। 

ভ্রাম্যমান আদালত সম্পর্কে মল্লিক ডায়গনস্টিক সেন্টারের মালিক বিদ্যুৎ কুমার সান্যাল বলেন, মাসুদ করিম প্রকৃতই একজন এমবিবিএস ডাক্তার। তিনি রিউমাটলজি’র চিকিৎসক। তাঁর বাড়ি লোহাগড়া। তাঁর শিক্ষাগত সকল সনদ আছে। কিন্তু ওই সময় কাছে ছিল না। মাসুদ করিমের সাথে যোগযোগের চেষ্টা করে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে।