Opu Hasnat

আজ ১৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ২০১৯,

১২তম স্প্যান বসানোর মাধ্যমে দৃশ্যমান হলো পদ্মা সেতুর ১৮০০ মিটার মুন্সিগঞ্জ

১২তম স্প্যান বসানোর মাধ্যমে দৃশ্যমান হলো পদ্মা সেতুর ১৮০০ মিটার

পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। এরই অংশ হিসেবে সোমবার (৬ মে) বেলা সারে ১২ টার সময় ২০ ও ২১ নম্বর পিলারের ওপর ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ও তিন হাজার ১৪০ টন ওজনের ১২ তম স্প্যান ‘৫-এফ’ বসানো হলো। এতে দৃশ্যমান হলো পদ্মা সেতুর ১ হাজার ৮০০ মিটার। মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তের মাঝপদ্মায় বসানো হলো এ স্প্যানটি।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মো.কাদের আরো জানান, সোমবার সকালে মাওয়া কনস্ট্রাকশন এরিয়া থেকে ভাসমান ক্রেন ‘তিয়ান-ই’র মাধ্যমে স্প্যানটি নেওয়া হয় সেতুর ২২ ও ২১ নম্বর পিলারের কাছে। এরপর বেলা সারে ১২টার দিকে ওই দুই পিলারের ওপর বসানো হয় স্প্যানটি। আবহাওয়া অনূকূলে থাকায় ও কারিগরি সমস্যা না হবার কারণে স্প্যান বসানোর সময় ও দিনক্ষন না পিছিয়ে ১২তম স্প্যানটি সফল ভাবে বসানো হলো বলে জানান তিনি।

এর আগে গত শুক্রবার (৩ মে) ১২তম স্প্যানটি বসানোর কথা ছিল। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় ফণী আঘাত হানতে পারে এমন আশঙ্কায় তা ১ মে স্থগিতের ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদী শাসনের কাজ করছে সে দেশেরই আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। 

২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বসানো হয় সেতুর প্রথম স্প্যান। এর প্রায় ৪ মাস পর ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি দ্বিতীয় স্প্যানটি বসে। এর দেড় মাস পর ১১ মার্চ জাজিরা প্রান্তে তৃতীয় স্প্যান বসানো হয়। এর ২ মাস পর ১৩ মে বসে চতুর্থ স্প্যান। এরপর এক মাস ১৬ দিনের মাথায় পঞ্চম স্প্যানটি বসে ২৯ জুন। ৬ মাস ২৫ দিনের মাথায় ২৩ জানুয়ারি বসে ষষ্ঠ স্প্যানটি। গত ২০ ফেব্রুয়ারি ৩৫ ও ৩৬ নম্বর পিলারে বসে জাজিরা প্রান্তের সপ্তম স্প্যান। ২২ মার্চ বসে অষ্টম স্প্যান এবং মাওয়া প্রান্তে গত ১০ এপ্রিল বসে নবম স্প্যান। ১০ এপ্রিল মাওয়ায় ১৩ ও ১৪ নম্বর পিলারে দশম এবং সবশেষ ২৩ এপ্রিল ১১তম স্প্যানটি বসে। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সেতুতে ৪২টি পিলারের ওপর বসবে ৪১টি স্প্যান।