Opu Hasnat

আজ ২১ জুলাই রবিবার ২০১৯,

নববর্ষে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জাতীয়

নববর্ষে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধভাবে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বাংলা নববর্ষ, পুরাতন বছরকে পেছনে ফেলে আমরা নতুন বছরে পদার্পন করছি। সমগ্র বাঙালি জাতিকে এই নববর্ষে আমি শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। শুভ নববর্ষ।’

১লা বৈশাখ রোববার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগ এবং এর বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা আমাদের সকল কর্মের মধ্য দিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণ করে যাব। বাংলাদেশ হবে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলাদেশ। যে বাংলাদেশের স্বপ্ন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব দেখেছিলেন। আর সেই বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমি সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানাচ্ছি।’

নতুন বছরে সবার সফলতা কামনা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি এটুকুই আশা করব যে, আমাদের যে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে সেই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। বিশ্ব দরবারে বাঙালি জাতি সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে চলবে। বিশ্বে বাংলাদেশ একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করব। আমরা আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করব।’
 
প্রধানমন্ত্রী এ সময় গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করায় দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীসহ সমগ্র দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ এবং আমাদের সহযোগী সংগঠনের সকল নেতাকর্মীকে আমি বিশেষভাবে শুভেচ্ছা জানাই। শুভেচ্ছা জানাই গত নির্বাচনে যারা আওয়ামী লীগকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে জাতির সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন তাদেরকে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতার নেতৃত্বে আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছি। আজকে আমাদের লক্ষ্য জাতির পিতার আদর্শ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে সারা বিশ্বে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলা। আমরা তা করতে পারব।’

সংসদের উপনেতা এবং দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এইচ টি ইমাম, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম এবং অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন এবং পরিবারের অন্য সদস্যরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে অতিথিদের বিভিন্ন বাঙালি খাবার যেমন: মোয়া, মুড়কি, মুরলি, কদমা এবং জিলাপি দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।