Opu Hasnat

আজ ২৫ মে শনিবার ২০১৯,

মুন্সীগঞ্জে সাংস্কৃতিক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ-

প্রত্নতাত্বিক খনন ও গবেষণা কর্মসূচির আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু নিয়ে সংবাদ সম্মেলন মুন্সিগঞ্জ

প্রত্নতাত্বিক খনন ও গবেষণা কর্মসূচির আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু নিয়ে সংবাদ সম্মেলন

মুন্সীগঞ্জে বিক্রমপুর অঞ্চলে প্রত্নতাত্বিক খনন ও গবেষণা শীর্ষক কর্মসূচির ২য় পর্যায় ২০১৮-১৯ এ আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু নিয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) বেলা ১২ টার দিকে জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেরার নাটেশ্বর দেউল এলাকায়  অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।  

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের জানানো হয়, ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরেও ঐতিহাসিক বল্লাল বাড়িতে উৎখননে প্রাচীন বসতির আলামত আবিষ্কৃত সহ হরেক রকমের মৃৎপাত্র, ধাতব ও পাথরের প্রত্নবস্তু, উদ্ভিজ্জ ও প্রাণীজ অবশেষ, প্রভৃতি প্রত্নবস্তু আবিস্কৃত হয়েছে। যা মুন্সীগঞ্জ তথা বিক্রমপুরের প্রাচীন ইতিহাসকে  সমৃদ্ধ করবে এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটাবে। এছাড়াও এখানে পূর্বের আবিষ্কৃত বিভিন্ন বিষয়ের তথ্য তুলে ধরা হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। 

প্রত্নতাত্বিক খনন ও গবেষণা কর্মসূচির গবেষনা পরিচালক ও  জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. সুফি মোস্তাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় এতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আশফাকুজ্জামন, টঙ্গীবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান জগলুল হালদার ভুতু, সদর ইউএনও ফারুক আহমেদ, টঙ্গীবাড়ী উপজেলার ইউএনও মোসামৎ হাসিনা আক্তার প্রমুখ।

এর আগে অতিথিবৃন্দরা নাটেরশ্বর দেউল ও রঘুরামপুর বৌদ্ধ  বিহার এলাকা প্রত্নতাত্বিক নির্দশন সমূহ পরিদর্শন করেন।

প্রসঙ্গত, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ও প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ও অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশনের তত্বাবধানে বিক্রমপুর অঞ্চলে প্রত্নতাত্বিক খনন ও গবেষণা শীর্ষক কর্মসূচিটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।