Opu Hasnat

আজ ১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার ২০১৯,

ব্রেকিং নিউজ

না ফেরার দেশে প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী শাহনাজ রহমতুল্লাহ্ বিনোদন

না ফেরার দেশে প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী শাহনাজ রহমতুল্লাহ্

না ফেরার দেশে প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী শাহনাজ রহমতুল্লাহ (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ‘এক নদী রক্ত পেরিয়ে’, ‘একবার যেতে দে না আমার ছোট্ট সোনার গাঁয়’, ‘একতারা তুই দেশের কথা বলরে, এবার বল’, ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলদেশ’সহ বহু জনপ্রিয় কন্ঠ দিয়ে তিনি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন।

শনিবার (২৩ মার্চ) মধ্যরাত রাত ১১টার দিকে বারিধারার নিজ বাসায় হঠাৎ করে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৬৭ বছর। 

শাহনাজ রহমতুল্লাহর বারিধারার বাসা থেকে সংগীতশিল্পী শফিক তুহিন তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, শনিবার রাতে হঠাৎ করে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। এরপর তাকে আর হাসপাতালে নেওয়ার সুযোগ হয়নি। বাসাতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

এদিকে, খবর পেয়ে দ্রুত বারিধারার বাসায় গিয়ে হাজির হন তপন চৌধুরী, কবির বকুল এবং শফিক তুহিন।

১৯৫২ সালের ২ জানুয়ারি তার ঢাকায় জন্ম। তার বাবা এম ফজলুল হক, মা আসিয়া হক। দেশাত্মবোধক গান গেয়ে তিনি জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তার উল্লেখযোগ্য গান- ‘এক নদী রক্ত পেরিয়ে, ‘একবার যেতে দে না আমার ছোট্ট সোনার গাঁয়ে’, ‘একতারা তুই দেশের কথা বলরে‌ এবার বল’, ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ’, ‘আমায় যদি প্রশ্ন করে’ ও ‘যে ছিল দৃষ্টির সীমানায়’।

তার তিনটি গান বিবিসির একটি জরিপে সর্বকালের সেরা ২০টি বাংলা গানের তালিকায় স্থান পায়।

১৯৯২ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন। এছাড়া ১৯৯০ সালে ছুটির ফাঁদে চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ নারী কণ্ঠশিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন শাহনাজ রহমতুল্লাহ।

শাহনাজ রহমত উল্লাহর স্বামী অবসরপ্রাপ্ত মেজর আবুল বাশার রহমত উল্লাহ এখন ব্যবসা করেন। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। মেয়ে নাহিদ রহমত উল্লাহ থাকেন লন্ডনে, আর ছেলে এ কে এম সায়েফ রহমত উল্লাহ যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করে কানাডায় বসবাস করছেন।

নিহতের ননদ নাহার আবেদ জানান, রোববার জোহরের পর বারিধারার পার্ক মসজিদে শিল্পীর জানাজা হবে। পরে বনানীর সামরিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।