Opu Hasnat

আজ ২২ জানুয়ারী মঙ্গলবার ২০১৯,

নিজাম বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ গ্রামবাসি, আতঙ্কে কাটছে দিন রাজবাড়ী

নিজাম বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ গ্রামবাসি, আতঙ্কে কাটছে দিন

ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলার ভাষানচর ইউনিয়নের চরচাদপুর এলাকায় নিজাম বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে দুটি গ্রামের বাসিন্দারা। প্রতি মুহুর্তে আতঙ্কে কাটছে তাদের দিন।

এক অনুসন্ধানে জানাগেছে, প্রভাবশালী চরচাদপুরের মুন্সি বাড়িতে জন্মগ্রহন করায় তার বিরুদ্ধে ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পায় না অনেকে। নিজাম বাহিনীর প্রধান নিজাম মুন্সি মোকবুল হোসেন মুন্সির ডাঙ্গি এলাকা আব্দুর রব মুন্সি (মেঝো মিয়ার ) ছোট ছেলে।

ফরিদপুর জেলার আইশৃঙ্খলা বাহিনী সুত্রে জানাগেছে, নিজাম মুন্সির নামে সদরপুর থানায় প্রভাব বিস্তারকারী, মারামারি, চাদাবাজিসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। 

তবে তিনি ওইসব মামলায় জামিন পেয়ে আবার এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করছেন। গড়ে তুলেছেন এক সন্ত্রাসের রাজত্ব। তার বাহিনীতে আপন ভাই ভাতিজা ও চরচাদপুর বাজারের কিছু বখাটে ছেলে রয়েছে। সব মিলিয়ে সাত থেকে আট জনের একটি সন্ত্রাশী দল রয়েছে তার।

নিজাম বাহীনীর দ্বারা নির্যাতীত মোকবুল মুন্সির ডাঙ্গি এলাকার বাসিন্দা হাচেন খান জানান, নিজাম মুন্সি ছয় বছর আগে রাতের বেলায় তার বাড়িতে এসে হুমকি ধামকি প্রদান করে এবং ৫ লক্ষ টাকা চাদা দাবী করে। পরে আমি ১ লক্ষ টাকা চাদা দিয়ে তার নির্যাতন থেকে মুক্তি পাই।

চরচাদপুর নছরউদ্দিন খানের ডাঙ্গি এলাকার বাসিন্দা মোতালেব মুন্সি বলেন, দুই থেকে তিন মাস যাবৎ আমার কাছে এক লক্ষ টাকা চাদা দাবী করছে আমি দিতে না চাইলে আমাকে হুমকি ধামকি দিচ্ছে। যে কোন সময় আমার উপর হামলা করতে পারে নিজামের লোকজন। 

চরচাদপুর নছরউদ্দিন খানের ডাঙ্গি এলাকার বাসিন্দা বিশিষ্ট শিল্পপতি আব্দুর রউব খান বলেন, সে শুধু মানুষকে চাদা নিয়ে অত্যাচার করে না। এলাকার চিন্থিত মাদক ব্যবসায়ী হারুন মুন্সিকে পেলে পুশে রাখে সে। তা না হলে র‌্যাব পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গাজা ব্যবসায়ী হারুন মুন্সিকে বার বার ধরে আর তাকে ছারিয়ে আনে কে ? এত টাকা সে পায় কোথায় ? এর একটা সুষ্ঠ তদন্ত ও সঠিক বিচার হওয়া প্রয়োজন।

র‌্যাব- আট ফরিদপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর তালুকদার নাজমুছ সাকিব জানান, মাদক ব্যবসায়ী যত বড় হোক আর তার মদদদাতা যেই হোক আমরা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করবো। সরকার মাদকের ব্যপারে জিরো ট্রলারেন্স ঘোষনা করেছেন আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সদরপুরের গাজা ব্যবসায়ী হারুন মুন্সির বিরুদ্ধে কমপক্ষে আটটি মামলা আছে। যেহেতু ওই এলাকায় একজন চিন্থিত মাদক ব্যাবসায়ী আছে আমরা বিশেষ নজর রাখছি।