Opu Hasnat

আজ ১৭ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার ২০১৯,

ময়নামতি ওয়ার সিমেট্টি’তে ১০ দেশের রাষ্ট্রদূত কুমিল্লা

ময়নামতি ওয়ার সিমেট্টি’তে ১০ দেশের রাষ্ট্রদূত

১০ দেশের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিরা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে কমনওয়েলথভুক্ত বিভিন্ন দেশের নিহত সৈনিকদের সমাধি কুমিল্লার ‘ময়নামতি ওয়ার সিমেট্টি’তে শ্রদ্ধা জানালেন।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর পর্যন্ত ইংল্যান্ডের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার কানভের নেতৃত্বে এ শ্রদ্ধা এবং স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।

শুরুতেই হাইকমিশনার ও প্রতিনিধিরা ময়নামতির যুদ্ধ সমাধির পশ্চিম পাশে অবস্থিত হলিক্রস পাদদেশে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলির মধ্য দিয়ে নিহত সৈনিকদের স্মরণ করেন। এ সময় ময়নামতি সেনানিবাসের একদল চৌকস সৈনিকের বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে। পরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের স্মরণে প্রার্থনা করেন ফাদার আলবারু।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জার্মানের রাষ্ট্রদূত পিটার তাহরু হলতি, ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মেরি এনিক বাউরদিন, জাপানের হিরুইয়াসু ইজুমি, অস্ট্রেলিয়ার জুলিয়া নিবলেট, কানাডার বেনয়িট প্রিফনটেইন, শ্রীলঙ্কার ক্রিশান্তি ডি সিলভা, আমেরিকান দূতাবাসের প্রতিনিধি জুয়েল রিফম্যান, ভারতীয় দূতাবাসের প্রতিনিধি ব্রিগেডিয়ার জে এস চিমা প্রমুখ।

বাংলাদেশের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন কুমিল্লা সেনানিবাসের জিওসি ও ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের কমান্ডিং অফিসার মেজর জেনারেল তাবরেজ আহমেদ শামস চৌধুরী, কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের পক্ষে জেলা প্রশাসক আবুল ফজল মীর ও জেলা পুলিশের পক্ষে শ্রদ্ধা জানান পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম-বিপিএম (বার) পিপিএম।

এছাড়াও বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল তানভীর সালেহীন ইমনসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ৭৩৮ জন সৈনিককে ময়নামতির এ যুদ্ধ সমাধিতে সমাহিত করা হয়। এখান থেকে একজন সৈনিকের মরদেহ পরবর্তীতে ১৯৫৮ সালে তার পরিবারের সদস্যরা আমেরিকা নিয়ে যান। কমনওয়েলথ দিবস উপলক্ষে প্রতিবছর ৯ নভেম্বর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের সমাধি ক্ষেত্র ‘ময়নামতি ওয়ার সিমেট্টি’তে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন কমনওয়েলথভুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতসহ প্রতিনিধিরা।