Opu Hasnat

আজ ১৪ নভেম্বর বুধবার ২০১৮,

বঙ্গবন্ধু কন্যা রাষ্ট্র পরিচালনায় আছেন বলেই দেশে এত উন্নয়ন হচ্ছে : সিডিএ চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম

বঙ্গবন্ধু কন্যা রাষ্ট্র পরিচালনায় আছেন বলেই দেশে এত উন্নয়ন হচ্ছে : সিডিএ চেয়ারম্যান

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্র পরিচালনায় আছেন বলেই দেশে একসাথে এত উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। পিতা দিয়েছে স্বাধীনতা, কন্যা দিয়েছে উন্নয়ন। শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসতে না পারলে আবারো দেশ দুর্নীতির অতল গহ্বরে পতিত হবে। স্তব্ধ হয়ে যাবে উন্নয়ন। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মানের শেখ হাসিনা প্রণীত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে আবারো নৌকায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় বসাতে হবে। দীর্ঘ সময় ধরে চলতে থাকা উন্নয়ন খরা থেকে চট্টগ্রামকে বের করে এনেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর হাত ধরে চট্টগ্রামে যে উন্নয়ন হয়েছে তা ছিল কল্পনাতীত। চট্টগ্রামের মানুষ আগে কখনো ভাবতে পারেনি এখানে উন্নত দেশের মত ফ্লাইওভার হতে পারে। তাই চট্টগ্রামের সবকটি আসন জননেত্রীকে উপহার দিতে এখানকার মানুষ জোটবদ্ধ থাকবে বলে আমার বিশ্বাস। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণে শেখ হাসিনার প্রণীত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে আবারো নৌকায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় বসাতে হবে। দীর্ঘ সময় ধরে চলতে থাকা উন্নয়ন খরা থেকে চট্টগ্রামকে বের করে এনেছেন জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া নগরীর আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের ষোলশহর দুই নম্বর গেট অংশে নির্মিত র‌্যাম্পটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন,  চট্টগ্রামের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী একের পর এক প্রকল্প অনুমোদন দিয়ে যাচ্ছেন। এসব প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে আগামী তিন বছরের মধ্যে চট্টগ্রামের যানজট পুরোপুরি নিরসন হয়ে যাবে। অনেকে মনে করেছিল এসব উন্নয়ন কাজের জন্য মানুষের দুর্ভোগ দুর্দশা বাড়বে। হয়রানি হবে। কিন্তু আজ জনগণ ফ্লাইওভারের সুফল ভোগ করছে। আমাদের প্রতিষ্ঠান ছোট। তারপরেও সীমিত লোকবল নিয়ে আমরা চট্টগ্রামের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। আজ প্রমাণিত হয়েছে সিডিএর সিদ্ধান্তই সঠিক ছিল।

সিডিএ চেয়ারম্যান  আরো বলেন, আগামী এক সপ্তাহ পর্যন্ত শুধুমাত্র লালখান বাজার থেকে উঠা গাড়িই এই র‌্যাম্প ব্যবহার করে বায়েজিদ রোডে নামতে পারবে। জিইসি মোড় থেকে ফ্লাইওভারে উঠার লুপ আরো সপ্তাহ খানেক পরে চালু করা হবে। আর এই লুপটি চালু হলে জিইসি মোড় থেকেও যে কোন গাড়ি ফ্লাইওভারে উঠে মুরাদপুর যাওয়ার পাশাপাশি বায়েজিদ রোডেও নামতে পারবে। ষোলশহর দুই নম্বর গেটের র‌্যাম্প এবং লুপ চালুর ফলে ব্যস্ততম এই মোড়ের ভয়াবহ যানজটের অবসান হবে। বিপুল সংখ্যক গাড়ি ফ্লাইওভার দিয়ে চলাচলের কারণে নিচের রাস্তায় গতিশীলতা ইতোমধ্যে বৃদ্ধি পেয়েছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সিডিএর বোর্ড সদস্য জসিম উদ্দিন, জসিম উদ্দিন শাহ, কেবিএম শাহজাহান, হাসান মুরাদ বিপ্লব, সিডিএর সচিব তাহেরা ফেরদৌস, সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হাসান বিন শামস, উপ-সচিব অমল গুহ, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. নাজের, প্রকৌশলী ও অথরাইজ অফিসার মঞ্জুর হাসান, প্রকল্প পরিচালক পরিচালক মাহফুজুর রহমান, প্রকৌশলী মো. শামীম, প্রকৌশলী মো. হাসান, প্রকৌশলী মোস্তাফা জামালসহ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের উর্ধতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের পহেলা সেপ্টেম্বর আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভার পুরোপুরি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। ৫ দশমিক ২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ৫৪ ফুট প্রস্থের ফ্লাইওভার প্রকল্পটি গত ২০১৩ সালের পহেলা অক্টোবর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) অনুমোদন দেয়। ফ্লাইওভারের মোট নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিলো ৬৯৬ কোটি টাকা। এরমধ্যে ফ্লাইওভারটির মূল অবকাঠামো তৈরিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫০ কোটি টাকা এবং র‌্যাম্প ও লুপ নির্মাণ কাজে ২৪৬ কোটি টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয় ২০১৮ সালের জুন মাস পর্যন্ত।