Opu Hasnat

আজ ১৭ নভেম্বর শনিবার ২০১৮,

সুনামগঞ্জে পাচাঁরের সময় ৩টন চোরাই কয়লা জব্দ করেছে বিজিবি সুনামগঞ্জ

সুনামগঞ্জে পাচাঁরের সময় ৩টন চোরাই কয়লা জব্দ করেছে বিজিবি


সুনামগঞ্জে পাচাঁরের সময় ৩মে.টন চোরাই কয়লা জব্দ করেছে বিজিবি। কিন্তু চোরাচালানীদের গ্রেফতার করতে পারেনি। এব্যাপারে বিজিবি ও এলাকাবাসী জানায়। 

 প্রতিদিনের মতো আজ  বৃস্পতিবার সকাল ৬টায় জেলার তাহিরপুর উপজেলার বালিয়াঘাট ও চাঁরাগাঁও সীমান্তের মাঝে অবস্থিত লালঘাট এলাকা দিয়ে কয়লা ও মাদক মামলার জেলখাটা আসামী কালাম মিয়া,জানু মিয়া,এহসান মিয়া,খোকন মিয়া ও আব্দুল আলী ভান্ডারী ভারত থেকে ২০মে.টন কয়লা ও ইয়াবা করে নৌকা বোঝাই করার সময় চাঁরাগাঁও বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার আইয়ুব খান অভিযান চালিয়ে ৩মে.টন চোরাই কয়লা আটক করেন। আর বাকি কয়লা ও ইয়াবা চালান চোরাচালানী খোকন মিয়ার ইঞ্জিনের নৌকায় বোঝাই করে নেত্রকোনা জেলার কমলাকান্দা উপজেলার ডেইটটা খালী নামকস্থানে নিয়ে যায়। 

অন্যদিকে অস্ত্র পাঁচার মামলার আসামী ইয়াবা ব্যবসায়ী ল্যাংড়া বাবুল,জিয়াউর রহমান জিয়া,ইদ্রিস আলী,আব্দুল হাকিম ভান্ডারী ও ইসাক মিয়া টেকেরঘাট ও লাকমা এলাকা দিয়ে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ভোর ৫টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত শতাধিক ট্রলি দিয়ে ভারত থেকে ওপেন ২হাজার মে.টন পাথর ও ৫০মে.টন কয়লা পাচাঁর করে বালিয়াঘাট ক্যাম্পের সামনে অবস্থিত বিন্দারবন্দ,দুধেরআউটা ও তেলিগাঁও নিয়ে মজুত করে। এজন্য ১বস্তা কয়লা থেকে ১২০টাকা,১ট্রলি পাথর থেকে ১৫০টাকা করে টেকেরঘাট ক্যাম্পের নামে চাঁদা নিয়েছে ল্যাংড়া বাবুল ও ইসাক মিয়া। 

একই হারে বালিয়াঘাট ক্যাম্প কমান্ডার দিলোয়ারের নামে চাঁদা নিয়েছে কালাম মিয়া,জিয়াউর রহমান জিয়া,ইদ্রিস আলী ও আব্দুল আলী ভান্ডারী। এছাড়া চাঁনপুর বিজিবি ক্যাম্পের সামনে অবস্থিত নয়াছড়া দিয়ে মাদক ও চাঁদাবাজি মামলার আসামী আবু বক্কর,সম্্রাট মিয়া,লাল মিয়া,আবুল কালাম,কাসেম মিয়া,নাজমুলগং চুনাপাথর পাচাঁর করে লাউড়গড় বিজিবি ক্যাম্পের সামনে নিয়ে মজুত করেছে। এজন্য ১ট্রলি পাথর থেকে চাঁনপুর ক্যাম্পের নামে ৫শ টাকা করে চাঁদা নিচ্ছে আবু বক্কর। অন্যদিকে লাউড়গড় বিজিবি ক্যাম্পের সামনের যাদুকাটা নদীর উত্তরপাড় দিয়ে প্রতিদিন শতশত মে.টন পাথর পাচাঁর করে বিজিবি ক্যাম্পের সামনে ও তার চারপাশে মজুত করা হচ্ছে। 


এজন্য ১লড়ি (১৫টন) পাথর থেকে লাউড়গড় বিজিবি ক্যাম্পের নামে ৩শত টাকা করে চাঁদা নিচ্ছে সাহিদাবাদ গ্রামের আলী আকবরের ছেলে শহিদ মিয়া,লাউড়গড় গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে জজ মিয়া,আব্দুস ছাত্তারের ছেলে আমিনুল ও আব্দুল জলিলের ছেলে জসিম মিয়া। এরা সিন্ডিকেডের মাধ্যমে পাথর পাচাঁরের পাশাপাশি ভারত থেকে শতশত ঘনফুট কাঠ, ঘোড়া ও মদ পাচাঁর করছে বলে জানাগেছে। এব্যাপারে টেকেরঘাট কোম্পানী কমান্ডার আনিসুল হক বলেন,লাকমা ও টেকেরঘাট দিয়ে ভারতের ভিতর থেকে পাথর এনে বাংলাদেশের ভিতরে মজুত করে তারপর নিয়ে ট্রলি দিয়ে নেওয়া হচ্ছে,কিন্তু স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা অনুরোধ করেছে তাই কিছু বলছিনা। সুনামগঞ্জ ২৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মাহমুদুর রহমান বলেন,তাহিরপুর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ইতিমধ্যে আমরা অনেক চোরাই কয়লা ও ঘোড়া আটক করেছি,আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এই বিভাগের অন্যান্য খবর