Opu Hasnat

আজ ২০ অক্টোবর শনিবার ২০১৮,

‘মাসুদ রানা’ মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের রাজপথের সংগ্রামী সাবেক সাধারন সম্পাদক মুন্সিগঞ্জ

‘মাসুদ রানা’ মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের রাজপথের সংগ্রামী সাবেক সাধারন সম্পাদক

মুহাম্মদ মাসুদ রানা- মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের রাজপথের সংগ্রামী অকুতভয় সফল সাবেক সাধারন সম্পাদক। জেলার প্রতিটি ছাত্রদলের তৃনমুল কর্মীরদের হৃদয়ের গভীরে গাথা ভালবাসার আরেক নাম। ছাত্রদল কর্মীদের চোঁখের রেটিনা বললেও একটুও ভুল হবে না। ছাত্রদলের রাজপথের নায়ক হিসেবে এখনো তার জনপ্রিয়তা কমেনি এক বিন্দুমাত্র।

মাসুদ রানা সাধারণ সম্পাদক পদে থাকা অবস্থায় এর আগে জেলা ইউনিটের কয়েকটি কমিটি চুড়ান্ত হওয়ার পরও ছাত্রদলের পদ নিয়ে অনেক ছাত্রনেতারা অনেকে পুলিশি গ্রেফতারের ভয়ে রাজনীতি থেকে অনেকটাই দুরে সরে গেছে, অনেকে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে ও আত্মগোপনে ছিলেন অনেক রথি-মহারথিরা।

মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির রাজনীতি প্রধানত ছাত্রদলের উপর নির্ভরশীল। জেলা বিএনপি’র রাজনীতিতে ঐক্য ও শক্তিমত্তা না থাকায় জেলার রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে কোন আন্দোলনে সফলতা দেখাতে পারছিল না। ঠিক সেই সময় বিএনপির ক্রান্তিলগ্নে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির মিছিল মিটিং রাজপথে বীরত্বের কর্মীদের সাথে নিয়ে সফলতার পরিচয় দিয়েছে রাজপথের এই সংগ্রামী নেতা মাসুদ রানা।

বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাবে ঘোষিত যে কোন কর্মসুচিতে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা’র নেতৃত্বে ১৫-২০ জন নেতা ছাড়া অন্যদের রাজপথে দেখা যায় নাই। 

তৎকালিন সময় জেলা বিএনপি’র জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাই সহ এক স্থানীয় নেতা বলেছিলেন, “ছাত্রদলকে সু-সংগঠিত করতে হলে তরুন উদীয়মান ছাত্র নেতাদের দিয়ে কমিটিগুলো ঢেলে সাজানো দরকার। যোগ্যতা সম্পন্ন নেতাকেই কেন্দ্রীয় কমিটির দায়িত্ব দিতে হবে। সেক্ষেত্রে বর্তমান জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মুন্সীগঞ্জ শহরের খালইষ্ট এলাকার পরিশ্রমী ছাত্রদল নেতা মাসুদ রানার বিকল্প নেই। কোনো লবিং-তদবির বা সুপারিশ না দেখে যোগ্য ও কর্মঠ হিসেব করতে গেলে মাসুদ রানাই জেলা ছাত্রদলের নেতৃত্ব পাওয়ার যোগ্যতা রাখে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০০৬ সালে গজারিয়া উপজেলার আমিনুল ইসলাম (জসিম) কে সভাপতি ও শ্রীনগর উপজেলার আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল কে সাধারণ সম্পাদক করে ৮১ সদস্যের মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষনা করা হয়েছিল। 

পরে ২০১০ সালে তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি’র দায়িত্ব গ্রহন করলে উক্ত শুন্য পদে মাসুদ রানাকে তার যোগ্যতা বিবেচনা করে মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়।
এর পর থেকে জেলার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত পাবার পর থেকে মাসুদ রানা নিরলস ভাবে ছাত্রদলের জেলার প্রতিটি ইউনিট কে পুনঃগঠিত করে কমিটি ঘোষনা করা হয়। 

তবে ২০১৫ সালে এসে দেখা যায় সেই কমিটির অনেকেই দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহন করছে না। অনেক ছাত্রনেতা বিএনপি’র এই দুঃসময়ে দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছেন। অনেকে মামলা খেয়ে রয়েছেন আত্মগোপনে। অধিকাংশ কমিটি নিক্রিয় হয়ে পড়ায় মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদল তখন নড়বরে অবস্থা বিড়াজ করছে। এই মুহুর্তে নতুন সু-সংগঠিত কমিটির দাবী তৃনমুল থেকে শুরু করে শীর্ষ স্থানীয় নেতাকর্মীদের। দীর্ঘদিন বিএনপি’র রাজপথে থাকা যোগ্য ছাত্রনেতাদের হাতে জেলা ছাত্রদলের দ্বায়িত্ব তুলে দেয়া জরুরী বলে মনে করছে তারা ।

এর মধ্যে মো: মাসুদ রানা বিএনপির অসময়ের ক্রান্তিলগ্নে নিজে মাঠে থেকে আন্দোলন সংগ্রাম ও মিছিল-মিটিং করার কারণে মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের নাম সারা বাংলাদেশের মধ্যে আলোচনার প্রথমে চলে আসে। যার জয়-জয়াকার এখনো বিদ্যমান রয়েছে। যার একমাত্র নায়ক মাসুদ রানা।

বর্তমান জেলা যুবদলের ১ম সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক   উদারতার দৃষ্টান্ত ও রাজপথের সংগ্রামী এ নেতা মুহাম্মদ মাসুদ রানা বর্তমান সাধারণ সম্পাদকসহ তৃনমুল কর্মীদের উদ্যেশ্যে বলেন, ছাত্রদলের যারা নিবেদিত কর্মী আমরা সবাই সবার ভাই-বন্ধু, সহযোদ্ধা ও সহকর্মী হিসেবেই ছিলাম এবং থাকবো। তবে জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি হওয়া প্রয়োজন ছিল এটা আমরা জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাইয়ের নেতৃত্বে ও সিনিয়র নেতাদের সহযোগীতায় করতে সক্ষম হয়েছি।  ত্যাগী, পরিশ্রমী, পরীক্ষিত মেধাবী ও সাহসিরাই আগামী জেলা ছাত্রদলের নেতৃত্ব পাবে বলে আশা রাখি। বর্তমান জেলা কমিটি নিয়েও আমাদের মধ্যে কোন ধরনের বিভেদ নেই। 

আমি এখন ছাত্রদল থেকে জেলা যুবদলের কমিটিতে চলে গেছি, তার পরও আমার গুছানো ছাত্রদলের ভাই-বন্ধুদের নিয়ে ঐক্যবদ্ধ ছিলাম, আছি এবং থাকবো। তবে যতদিন বেঁচে থাকবো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ আর আপোষহীন নেত্রী খালেদা জিয়ার রাজনীতি করে যাব। 

এই বিভাগের অন্যান্য খবর