Opu Hasnat

আজ ১৬ ডিসেম্বর রবিবার ২০১৮,

১লা অক্টোবর থেকে চট্টগ্রাম নগরীতে শুরু হচ্ছে জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রন সপ্তাহ চট্টগ্রাম

১লা অক্টোবর থেকে চট্টগ্রাম নগরীতে শুরু হচ্ছে জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রন সপ্তাহ

আগামী ১ অক্টোবর থেকে সপ্তাহব্যাপি জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রন সপ্তাহ ও ক্ষুদে ডাক্তার কর্তৃক শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম ২০১৮ শুরু হবে। এই কর্মসূচির আওতায় নগরের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫-১৬ বছর সকল ছাত্র-ছাত্রী ও অন্যান্য শিশুদের কৃমি নাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো, একই সময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা এবং ৫-১৬ বছর বয়সী পথ শিশু, কর্মজীবী শিশু, বিদ্যালয় হতে ঝড়ে পড়া সকল শিশুকে বিদ্যালয়ে উপস্থিতির মাধ্যমে ঔষধ সেবনের আওতায় আনা হবে। এ উপলক্ষে সোমবার সকালে আলকরণস্থ চসিক জেনারেল হাসপাতাল সম্মেলন কক্ষে এ্যাডভোকেসী ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরীর সভাপতিত্বে স্বাস্থ্য শিক্ষা স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ আলী, এমও ইনচার্জ ডাঃ নাছিম ভূইঁয়া, ডাঃ আশিষ কুমার মুখার্জী, ডাঃ আরপি আসিফ খান, ডাঃ তৌহিদুল আনোয়ার খান, কনসালটেন্ট (শিশু) ডাঃ সুশান্ত বড়–য়া, মেডিকেল অফিসার সিভিল সার্জন কার্যালয় ডাঃ নুরুল হায়দার, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সার্ভিল্যান্স এন্ড ইম্যুনাইজেশন মেডিকেল অফিসার ডাঃ আরাফাত উল আলম, জোনাল মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ ইমাম হোসেন রানা, ডাঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম, ডাঃ তপন কুমার চক্রবর্তী, ডাঃ হাসান মুরাদ চৌধুরী, ডাঃ মুজিবুল আলম চৌধুরী, ডাঃ সুমন তালুকদার, মেডিকেল অফিসার ডাঃ রাজিব বিশ্বাস, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্য্যালয় পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মোঃ কামরুল আনোয়ার, থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ জিয়াউল হুদা সিদ্দিকী, মোঃ আরিফুর রহমান ও শামসুল আরেফিন। সভা পরিচালনা করেন ভ্যাকসিনেশান ইনচার্জ মোঃ আবু ছালেহ। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক বলেন কৃমি পুষ্টিহীনতা ও রক্ত শুন্যতা সৃষ্টি করে। শিশুর জীবনকে বিপন্ন করে তোলে। বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশের অনেক শিশুই কৃমিতে আক্রান্ত। তবে এর মধ্যে স্কুলগামী ৫-১৬ বছর বয়সী শিশুরাই সচরাচর পেটের কৃমি দ্বারা সর্বাধিক আক্রান্ত হয়। ফলে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ও পিত্তস্থলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সভাপতি বক্তব্যে ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী বলেন, কৃমি একটি সংক্রমক ব্যাধি। পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবে কৃমিতে আক্রান্ত হয়। তাই সকলের উচিত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকা। এই প্রসঙ্গে সভাপতি আরো বলেন, পায়খানা করার পর সাবান দিয়ে হাত ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিবারের সবাইকে একসাথে এবং ভরা পেটে খাওয়া, অসুস্থ শিশুদের খাওয়ানোর পূর্বে ডাক্তারদের পরামর্শ দেয়া উচিত।