Opu Hasnat

আজ ১৯ ডিসেম্বর বুধবার ২০১৮,

মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের বৃহত্তর ঐক্যের মাধ্যমে সংঘটিত হতে হবে: মোজাফফর চট্টগ্রাম

মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের বৃহত্তর ঐক্যের মাধ্যমে সংঘটিত হতে হবে: মোজাফফর

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কোতোয়ালী থানা শাখার উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা নগরীর জামালখানস্থ শাহ ওয়ালী উল্লাহ ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান আবু মো. সাজেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে, সৈয়দ ওমর আলী ও শাহনাজ বেগম রীমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডার মোজাফফর আহমদ।

প্রধান বক্তা ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটির  সদস্য সরওয়ার আলম চৌধুরী মনি। বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার শহীদুল হক চৌধুরী সৈয়দ, সহকারী কমান্ডার পান্টু লাল সাহা, সহকারী কমান্ডার সাধন চন্দ্র বিশ^াস, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৌরিন্দ্র নাথ সেন, আবুল কাশেম চিশতী, রফিকুল আলম, এস.এম তৌফিক, মিনু রানী দাশ, হেলাল উদ্দিন, শহীদুল ইসলাম দুলু, আব্দুল হাফেজ, ছৈয়দ আহমদ, প্রশান্ত কুমার সিংহ, রঞ্জন সিংহ, অঞ্জন কুমার সেন, বাবুল দত্ত, আশীষ গুপ্ত, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারবর্গের চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড চট্টগ্রাম মহানগরের আহŸায়ক মশরুর হোসেন, যুগ্ম আহŸায়ক সাহেদ মুরাদ সাকু, যুগ্ম আহŸায়ক মিজানুর রহমান সজীব ও সদস্য সচিব কাজী রাজিশ ইমরান। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পাথরঘাটা ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা আবসার উদ্দিন,  বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আবু সাঈদ মাহমুদ রনি, আশরাফুল হক চৌধুরী, জোনায়েদ আহমদ, জয়নুদ্দিন আহমেদ জয়, ফরিদ উদ্দিন, নিলয়, এ.বি বাকী, ওয়াসিফুল হক চৌধুরী কৌশিক, ফয়সাল বিন রফিক, ইফতিয়ার সাঈদ সরদার সায়মন, মো. জুলফিকার, মো. নোমান হোসেন প্রমুখ। কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শুরু হয় এবং সভার শুরুতে দেশের সকল বীর শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডার মোজাফফর আহমদ বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা এদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের বৃহত্তর ঐক্যের মাধ্যমে সংঘটিত হতে হবে। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের উত্তরাধিকারীগণকে সময়ের প্রয়োজনে আজ ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের পিতার বীরত্ব ব্যাঞ্জক যুদ্ধের কাহিনী, ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে জোরালোভাবে উপস্থাপন ও প্রচার করতে হবে। একটি জাতি যদি তার সাহসী ইতিহাস ধারণ না করে সে জাতির মধ্যে কখনও দেশপ্রেম সৃষ্টি হয় না। বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সরকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নিরলস প্রচেষ্টায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণসহ দেশে দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে। সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামীতে অনুষ্ঠিতব্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে আবারো শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে হবে। এজন্য বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি সকলকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।