Opu Hasnat

আজ ১৪ নভেম্বর বুধবার ২০১৮,

চট্টগ্রামে ল্যাকটেটিং মাদারদের হেলথ ক্যাম্পের আলোচনা সভা চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে ল্যাকটেটিং মাদারদের  হেলথ ক্যাম্পের আলোচনা সভা

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকার কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদারদের জন্য তিন দিনব্যাপী আয়োজিত দ্বিতীয় দিনের হেলথ ক্যাম্প উপলক্ষে এক আলোচনা সভা বৃহস্পতিবার নগরীর নাছিরাবাদ হাউজিং সোসাইটির জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অঞ্জনা ভট্টাচার্য্যরে সভাপতিত্বে ও প্রোগ্রাম অফিসার নিতা চাকমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হেলথ ক্যাম্পের আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংবাদ সংস্থা এনএনবি’র চট্টগ্রাম প্রধান রনজিত কুমার শীল ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সূর্যের হাসি-নিষ্কৃতি ক্লিনিকের ক্লিনিক ম্যানেজার শাহীন সুলতানা। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও জেলা  মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়  এ কর্মসূচির আয়োজন করেন। 

আলোচনা সভা শেষে ইউএসএআইডি পরিচালিত  বেসরকারি সূর্যের হাসি-নিষ্কৃতি ক্লিনিকের চিকিৎসক নুসরাত হোসাইন ও উজ্জ্বলা রানী দাশ ৫শ’ কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার ও তাদের সন্তানদের চিকিৎসা-সেবা প্রদান করেন। এ সময় ল্যাকটেটিং মাদারদের সাথে থাকা শিশুদের মাঝে প্রসাধনী ও  খাবার বিতরণ করেন জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অঞ্জনা ভট্টাচার্য্যসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। এর আগে গত বুধবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম শিশু একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হেলথ ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে  কর্মজীবী  প্রায় ৮শ’ ল্যাকটেটিং  মাদার ও তাদের সন্তানদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন গাইনী রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. রিফাত বিনতে রোজাইও, ডা. সুমী দাশ ও ডা. টুম্পা দে বড়ুয়া। 

শুক্রবার নগরীর নাসিরাবাদস্থ জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ে সকাল ১০টা  থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আরো ৫’শ জন  কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার ও তাদের সন্তানদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হবে। 

দ্বিতীয় দিনের হেলথ ক্যাম্পের আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন সফল নারী ও  নারীবান্ধব সরকার। তিনি ক্ষমতায় আসার পর বিগত ১০ বছরে  নারীদের ক্ষমতায়নে  বহুমুখী কর্মসূচি সাফল্যের সাথে বাস্তবায়ন করে চলেছেন।  সরকারের নিরলস প্রচেষ্টায় নারী-পুরুষ উভয়ের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করণ, পরিকল্পিত পরিবার গঠন, নারীদের অবস্থান সুদৃঢ়করণ, কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদারদের জন্য চিকিৎসা ও বিধবা ভাতা প্রদান ও মাতৃত্বকালীন ছুটি ৩ মাস থেকে ৬ মাসে উন্নীত করা হয়েছে। কমেছে মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর হার। জাতীয় সংসদ, মন্ত্রণালয়, সচিবালয়, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা,  ইউনিয়ন পরিষদ, সরকারের বিভিন্ন অধিদপ্তর ও  প্রতিষ্ঠানে নারীদের সম্পৃক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারের যুগোপযোগী পদক্ষেপের কারণে প্রত্যেক জায়গায় নারীরা আজ স্বাবলম্বী। বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানগুলোতে নারীদের অংশগ্রহণ এখন দৃশ্যমান। সরকারের উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রাখাসহ আগামীতে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে পুরুষদের পাশাপাশি নারীরা এগিয়ে আসলে  সরকারের রূপকল্প ২০২১  ও ২০৪১ সালে বাস্তবায়ন হবে।