Opu Hasnat

আজ ২৪ সেপ্টেম্বর সোমবার ২০১৮,

সুনামগঞ্জে তৃলমুল আ’লীগের বঙ্গবন্ধুর ৪৩তম শাহদাৎ বার্ষিকী পালিত সুনামগঞ্জ

সুনামগঞ্জে তৃলমুল আ’লীগের বঙ্গবন্ধুর ৪৩তম শাহদাৎ বার্ষিকী পালিত

সুনামগঞ্জে ধর্মপাশা উপজেলা তৃলমুল আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে উপজেলার বাদশাগঞ্জ বাজারে বঙ্গবন্ধুর ৪৩তম শাহদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে এক শোক র‌্যালী,  আলোচনা সভা ও কাঙালীভোজের আয়োজন করা হয়।  আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন সাবেক ছাত্রলীগের সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি এডভোকেট আখতারুজ্জামান সেলিম। শোক সভায় সেলবরষ ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর  সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শওকত এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি এহসান আহমেদ, সেলবরষ ইউনিয়নের সভাপতি বেনিয়া খাঁন পাঠান, সাবেক সভাপতি তালহা চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বজলু চৌধুরী, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসকাওয়াত জ্জামান ইন্তি, সেলবরষ ইউপি আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল হুদা মুকুল, শাহ ইকবাল, তোতা মিয়া, যুবলীগ নেতা জয়নাল, শিবলী জামান, সামছুল হুদা বাবু, ছাত্রলীগ নেতা ইমন চৌধুলী, জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ। 

শোক সভায় প্রধান অতিথি এডভোকেট আখতারুজ্জামান সেলিম  তৃণমূল আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জন্য বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল। মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতি বিজয় অর্জন করেছিল। কিন্তু মোস্তাক চক্র শুধুমাত্র ক্ষমতার লোভে মন্ত্রী হওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করেছিল। মোস্তাক চক্রই ওয়ান ইলিভেন সরকার ঘটন করেছিল। তারা শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে চিরতরে বিদায় করতে চেয়েছিল। বিশ্বাসঘাতক মোস্তাকদের চিহ্নিত করতে হবে, সজাগ থাকতে হবে। জননেত্রী শেখ হাসিনাকে রক্ষা করতে হবে। শেখ হাসিনা বাঁচলে দেশ বাঁচবে, আমরা বাঁচব, শেখ হাসিনা না বাঁচলে আমরা কেউ বাঁচতে পারব না। আমরা সবাই শেখ হাসিনার পাশে থাকলে কেউ তার ক্ষতি করতে পারবে না। ষড়যন্ত্রকারীরা বসে নেই। বারবার চেষ্টা করে যাচ্ছে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারকে উৎখাত করতে। আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’ ‘খুনি মোস্তাক চক্র জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর তার শিশু পুত্র রাসেলকে বাঁচতে দেয়নি। বঙ্গবন্ধুর মাসুম শিশুপুত্র কি অপরাধ করেছিল? বঙ্গবন্ধুর ডাকে জেগে উঠেছিল বাঙালি। তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন সোনার বাংলা গড়ার। খুনিচক্র বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার বন্ধ রাখতে কালো আইন পাশ করেছিল। তারা চেয়েছিল এই দেশ একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হোক। শোক সভা শেষে কাঙালীভোজের আয়োজন করা হয়।