Opu Hasnat

আজ ১৯ আগস্ট রবিবার ২০১৮,

ঝালকাঠিতে এবারও জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে এনএস কামিল মাদরাসা ঝালকাঠি

ঝালকাঠিতে এবারও জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে এনএস কামিল মাদরাসা

ঝালকাঠিতে প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও আলিম পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ঝালকাঠি এনএস কামিল মাদরাসা।  এ মাদরাসা থেকে ১২৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ১২৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৭ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৩ জন। ঝালকাঠি এন এস কামিল মাদরাসার এ সাফল্য বিগত দিনেরই ধারাবাহিকতা। এ মাদরাসা বরিশাল বিভাগের মধ্যে একমাত্র অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান। দাখিল-আলিমে বিজ্ঞান, কম্পিউটার, ফাজিলে দুই বিষয়ে অনার্সসহ কামিলে হাদিস তাফসির ও ফিকহ বিভাগ নিয়ে গড়ে ওঠা প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার ছাত্রের পদচারণায় মুখরিত বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানে রূপ নিয়েছে। সাফল্যের কারণ বর্ণনা করতে গিয়ে মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবু জাফর মুহাম্মদ ছালেহ চাদপুরী হুজুর বলেন, দলীয় রাজনীতিমুক্ত শিক্ষাঙ্গন, সেমিস্টার পদ্ধতিতে পরীক্ষা গ্রহণ, শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে ক্লাস টেস্ট গ্রহণ, দুর্বল ছাত্রদের জন্য বছরের বিভিন্ন সময়ে ফিডব্যাক ক্লাস, শিক্ষা সহায়ক কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়ন, আবাসিক ছাত্রদের জন্য পরিদর্শক ও টিউটর শিক্ষকের ব্যবস্থা এবং অভিভাবক সম্মেলনসহ অত্যাধুনিক ব্যবস্থাপনার কারণে কেন্দ্রীয় পরীক্ষাসমূহে এই প্রতিষ্ঠান বরাবরই ভালো ফল করছে। অপরদিকে ঝালকাঠি সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় ৩৯৬ জনে অংশ নিয়ে ২৬৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। বাকিরা সবাই বিভিন্ন গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। ঝালকাঠি সরকারি মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় ৬০৯ জনে অংশ নিয়ে ৪০৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে পাঁচজন। বিজ্ঞান বিভাগে ২ জন ও মানবিকে ৩ জন। বাকিরা বিভিন্ন গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। ঝালকাঠি ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় ৩৯ জন অংশ নিয়ে ৩৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। বাকিরা সবাই বিভিন্ন গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। ঝালকাঠি কুতুবনগর আযিযিয়া আলিম মাদরাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় ১২ জন অংশ নিয়ে ৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। সদর উপজেলার নওপাড়া ডিএসআই ফাজিল মাদ্রাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় ২৯ জন অংশ নিয়ে ২৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। এছাড়া ঝালকাঠি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইএচসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ফলাফল বিপর্যয় হওয়ায় কোনো তথ্যই দিতে পারেননি কলেজ অধ্যক্ষ প্রকৌশলী আব্দুল জব্বার।