Opu Hasnat

আজ ২৩ জুলাই সোমবার ২০১৮,

বিধবা মায়ের একমাত্র সন্তান পুঁজাকে বাঁচাতে মায়ের আকুতি নড়াইল

বিধবা মায়ের একমাত্র সন্তান পুঁজাকে বাঁচাতে মায়ের আকুতি

বাঁচার জন্য আকুতি জানিয়েছে নড়াইলের লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেনীর মেধাবী ছাত্রী পূঁজা শিকদার। সে লোহাগড়া পৌর এলাকার মৃত রুপ কুমার শিকদারের এক মাত্র কন্যা সন্তান। মা সুবর্ণা শিকদার সংসারের চাকা সচল রাখতে এবং পিতৃহীন মেয়েটির লেখাপাড়ার খরচ যোগাড়ের জন্য মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ঝি এর কাজ করেন।
 
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরে পুঁজার শরীর শুকিয়ে আসছে। খাবারেও নেই তার রুচি। এমন অবস্থায় স্থানীয় ডাক্তারের কাছে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায় তার পরিবার। পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ৯ জুলাই ধরা পড়ে তার শরীরে বাসা বেঁধেছে মরণ ব্যাধি ব্লাড ক্যান্সার। আকাশ ভেঙ্গে পড়ে স্বজনদের মাথায়। দিশেহারা হয়ে পড়ে মা সুবর্ণা বিশ্বাস। 
 
বর্তমানে পুঁজাকে উন্নত চিকিৎস্যার জন্য স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিবার ঢাকার আনোয়ার খান মর্ডাণ হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। সেখানে ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাঃ কর্ণেল মনিরুজ্জামানের তত্বাবধানে পুঁজা চিকিৎসাধীন আছে। 
 
লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম হায়াতুজ্জামান বলেন, আমি পুঁজাকে দেখতে ঢাকায় এসেছি। চিকিৎসকরা অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে তাকে সুস্থ করার চেষ্টা করছেন। তিনি আরও বলেন, চিকিৎসকরা আমাদের জানিয়েছে পুঁজার বর্তমান অবস্থা জীবন মৃত্যুর মাঝামাঝি। তার চিকিৎসায় প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা খরচ হবে। 
 
পুঁজার মা সুবর্ণা শিকদার বিত্তবানদের নিকট আকুতি জানিয়ে বলেন, আমার একমাত্র সন্তানকে পরের বাড়ি কাজ করে কোন রকম বড় করেছি। ঠিক মত পেট ভরেও তাকে খেতে দিতে পারিনি। পুঁজার ৫ বছর বয়সে তার বাবা বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা যায়। বাবা হারা এই সন্তানকে চিকিৎসা করানোর মত টাকা আমার নেই। আপনারা আমার এক মাত্র সন্তানকে বাঁচান। মা সুবর্নার শিকদারের নাম্বার -০১৭৫১৬৮৫২০৪, ০১৯২৪৩৩০৬৪৫, বিকাশ নাম্বার প্রধান শিক্ষক এস.এম হায়াতুজ্জামান ০১৭১১-৩৯৬৫৮৩ লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়।
 
উল্লেখ্য, পুঁজা শিকদার লোহাগড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেনীতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছিল।