Opu Hasnat

আজ ১৩ নভেম্বর মঙ্গলবার ২০১৮,

আরমান আলিফের 'অপরাধী' এবার ছলনাময়ী বিনোদন

আরমান আলিফের 'অপরাধী' এবার ছলনাময়ী

ও মাইয়া ও মাইয়া রে তুই অপরাধী রে, আমার যত্নে গড়া ভালোবাসা দে ফিরাইয়া দে। আমার অনুভূতির সাথে খেলার অধিকার দিলো কে, মাইয়া তুই বড় অপরাধী, তোর ক্ষমা নাই রে।
বাংলাদেশের প্রথম কোন গান হিসেবে গেøাবাল র‌্যাংকিংয়ে জায়গা কওে নেওয়া ‘অপরাধী’ গানের অংশ বিশেষ এটি। গোটাবিশ্বে সবচেয়ে বেশিবার দেখা টপ ১০০ গানের মধ্যে অন্যতম এটি। 
এরই মধ্যে ইউটিউবে ‘অপরাধী’ শিরোনামের এই গানটি প্রায় ১০ কোটিবার দেখা হয়েছে। যা বাংলা গানের ইতিহাসে নতুন এক রেকর্ড। গানটির মূল শিল্পী আরমান আলিফ। তার নিজের কথা ও সুরে গানটি গত ২৬ এপ্রিল ইগল মিউজিকের ইউটিউবে প্রকাশিত হয়। এরপর থেকেই গানটি সবার মুখে মুখে। 

গানটির মূল শিল্পী রাতারাতিই তারকা বুনে যান। ইউটিউবে গানটির বিভিন্ন ভার্সন খুঁজে পাওয়া যায়। হিন্দিতেও গানটির নতুন ভার্সন বের হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এবারে অপরাধী গানটির নতুন সংযোজন হতে যাচ্ছে ‘ছলনাময়ী’। গানটি লেখেছেন সৈয়দপুরের তরুণ লেখক ও সাংবাদিক খুরশিদ জামান কাকন। 

‘ছলনাময়ী’ শিরোনামের গানটির কথা এরই মধ্যে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ছলনাময়ী গানটির গীতিকার খুরশিদ জানান কাকন, ‘আরমান আলিফের’ অপরাধী গানটি যে কারো মন ছুঁয়ে যাবে। গানটির সুর সবাইকে আকৃষ্ট করে। এরই ফলশ্রæতিতে গানটির অনেক গুলো ভার্সন বের হয়েছে। আমিও চেষ্টা করেছি জনপ্রিয় এই গানটি একটু অন্যভাবে লেখার।
তিনি আরো জানান, ‘সবেমাত্র গানটি লেখা হয়েছে। এখনো গানটির রেকর্ডিং করা হয়নি। ভালো কোন শিল্পী বা ব্যান্ডের খোজ পেলে অচিরেই গানটির রেকর্ডিং এবং চিত্রধারণ করা হবে। তবে যাই করি সম্পূর্ণ কৃতিত্ব অপরাধী গানের মূল শিল্পী আরমান আলিফকে দিতে চাই।’
নিচে ‘ছলনাময়ী’ শিরোনামে সৈয়দপুরের কাকনের লেখা গানটির কথা দেওয়া হলো। 

এই ভুবনে তোরে আমার আপন ভাবিতাম। তোরে হ্রদ মাঝারে যতন করে লুকাইয়া রাখতাম। তোর মুখের হাসি  দেইখা দুঃখ ভুলিতাম। তুই ডাকলে পরে কেমন করে হাজিরও হইতাম। ওরে সব ছাইরা তোর লাইগা দিলাম বলে বাই। এখন আমার জন্যে তোর হাতে কোন সময় নাই। ওরে কাছে আইসা মন পিনজিরায় কষ্ট দিলি রে । তুই দে  রে দে ব্যথা দে যতো খুশি রে। ও মাইয়া ও মাইয়া রে তুই ছলনাময়ী রে। আমার স্বপ্নে দেখা সময়গুলা দে ফিরায়া দে। আমার অনুভূতির সাথে মজার সাহস দিলো কে। মাইয়া তুই বড় ছলনাময়ী সবার সেরা রে। রে রে  রে  রে। রে রে রে রা রি রে। রে রে রে রে রে রা রি রে রে রা রি রে ।।। ওরে হাজার মানুষের ভিড়ে তোরে খুঁজিয়া লইতাম । আমি সবার থেকে বেশি তোরে ভালো বাসিতাম। ওরে রাইতের পর রাইত জাগিয়া কবিতা লেখতাম । আবার সেই কবিতার ছন্দে তোরে খুজিয়া লইতাম। অহন একলা একা সময়গুলা কাটাই কেমনে । এত কাছে আসার পরেও আমার দোষ কি ছিলো রে । রোজ রাইতে বেলা পোলাপান চুপি চুপি কয় । শুইনা ল রে তোর দ্বারা কিছু হবার নয়  ।। ও মাইয়া ও মাইয়া রে তুই ছলনাময়ী রে । আমার স্বপ্নে দেখা সময় গুলা দে ফিরায়া দে । আমার অনুভূতির সাথে মজার সাহস দিলো কে । মাইয়া তুই বড় ছলনাময়ী সবার সেরা রে ।।  রে রে রে রে।। রে রে রে রা রি রে।। রে রে রে রে রে রা রি রে রে রা রি রে।