Opu Hasnat

আজ ২৪ অক্টোবর বুধবার ২০১৮,

ঝালকাঠিতে অস্বাস্থ্যকর “রূহ আফজা” শো-রুমসহ বিভিন্ন দোকানে বিক্রি ঝালকাঠি

ঝালকাঠিতে অস্বাস্থ্যকর “রূহ আফজা” শো-রুমসহ বিভিন্ন দোকানে বিক্রি

ঝালকাঠির শহরের সাধনার মোড়স্থ হামদর্দ ল্যাবরেটরিজ শো-রুমসহ বিভিন্ন দোকানে বিক্রি হচ্ছে অস্বাস্থ্যকর “রূহ আফজা”।  অননুমোদিত উপাদান দিয়ে খাদ্য তৈরি ও বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন প্রচারের দায়ে হামদর্দের উৎপাদিত পানীয় ‘রুহ আফজা’কে চার লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। এছাড়াও জরিমানা আনাদায়ে রুহ আফজা’র চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়। মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্যগুলো দিয়েছেন সেগুলো প্রত্যাহার করে নেবেন এবং আগামী ৩০ জুনের মধ্যে সব বিজ্ঞাপন প্রত্যাহার করবেন বলেও তারা আদালতে লিখিত দেন।

শো-রুম ব্যবস্থাপক নাইম আব্দুল্লাহ জানান, ঢাকায় জরিমানা হয়েছে। আমাদের এখানে কোন নির্দেশনা আসে নাই। তাই আমরা বিক্রি করছি। ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আতাহার মিয়া জানান, ঝালকাঠিতে হামদর্দের রূহ আফজা বিক্রি হচ্ছে, কিন্তু সেটা অস্বাস্থ্যকর কিনা তা বুঝবো কিভাবে। শো-রুম কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে তাদেরকে বিক্রি না করার জন্য অনুরোধ করতে পারি। উল্লেখ্য, অননুমোদিত উপাদান দিয়ে খাদ্য তৈরি ও বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন প্রচারের দায়ে হামদর্দের উৎপাদিত পানীয় ‘রূহ আফজা’কে চার লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। এছাড়াও জরিমানা আনাদায়ে রূহ আফজা’র চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (১২ জুন) দুপুরে স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত ১-এর বিচারক এএফএম মারুফ চৌধুরী এ আদেশ দেন। এর আগে হামদর্দ কোম্পানির চেয়ারম্যান হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাকিম সাইফুদ্দিন আদালতে হাজির হয়ে দোষ স্বীকার করেন। রূহ আফজার বিরুদ্ধে এ মামলাটি দায়ের করেন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পরিদর্শক মো. কামরুল হাসান। মামলায় প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাকিম সাইফুদ্দিনকে আসামি করা হয়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবনে এই আদালত অবস্থিত। গত ৩১ মে নিরাপদ খাদ্য আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। সোমবার (১১ জুন) মামলার শুনানির দিন ধার্য ছিল। এদিন আসামি হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া ও হাকিম সাইফুদ্দিন আদালতে হাজির হয়ে আরও একদিন সময় চান। পরে আদালত তাদের মঙ্গলবার (১২ জুন) পর্যন্ত সময় দেন। মঙ্গলবার দুপুর থেকে মামলাটির শুনানি চলে। দীর্ঘ শুনানির পর আদালত এ রায় দেন। আসামিরা আদালতে হাজির হয়ে নিজেদের দোষ স্বীকার করেন। পরে তারা আদালতকে লিখিতভাবে জানান, তারা যে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্যগুলো দিয়েছেন সেগুলো প্রত্যাহার করে নেবেন এবং আগামী ৩০ জুনের মধ্যে সব বিজ্ঞাপন প্রত্যাহার করবেন। বিজ্ঞাপন পরিবর্তনের জন্য বিএসটিআই মহাপরিচালক বরাবরে আবেদন করেছেন তারা। আবেদনের সেই কপি আদালতকে দেওয়া হয়েছে। পরে ব্যাংকের মাধ্যমে তারা জরিমানার চার লাখ টাকাও পরিশোধ করেন। 

 

এই বিভাগের অন্যান্য খবর