Opu Hasnat

আজ ১৭ আগস্ট শুক্রবার ২০১৮,

ভাঙ্গায় পানিতে ডুবে একই পরিবারের তিন শিশুর মৃত্যু নারী ও শিশুফরিদপুর

ভাঙ্গায় পানিতে ডুবে একই পরিবারের তিন শিশুর মৃত্যু

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার নরুল্যাগঞ্জ ইউনিয়নের কাঠালবাড়িয়া গ্রামে বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ে খেলতে গিয়ে পানিতে পরে একই পরিবারের দুই ভাইয়ের দুই কন্যা শিশু ও এক সন্তানের মৃত্যু হয়েছে।  

রবিবার দুপুরের দিকে এই ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- জামিলদি মাতুব্বরের কন্যা জিমি আক্তার(৭) ও তার সন্তান সাজ্জাদ(৩) আর বাশার মাতুব্বরের কন্যা রিমি আক্তার(৬)। নিহতরা আপন দুই ভাইয়ের সন্তান। 

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ তরিকুল ইসলাম জানান, উপজেলার নরুল্যাগঞ্জ ইউনিয়নের কাঠালবাড়িয়া গ্রামে বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ে খেলতে গিয়ে পানিতে পরে দুই ভাইয়ের দুই কন্যা শিশু ও এক সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেন মসজিদে ইফতারের অনুষ্ঠান ছিলো আর এ কাজে সকলে ইফতার বানানোর কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এই সুযোগে বাড়ির তিন শিশু বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ে খেলতে গিয়ে পানিতে পড়ে যায়। এসময় বাড়ির লোকজন অনেক খোঁজা-খুঁজি করে না পেয়ে পুকুর পারে তাদের পরিহিত সেন্ডল পড়ে থাকতে দেখে পানিতে নেমে তাদের উদ্ধার করে। বাড়ির লোকজন ও স্থানীয়রা সেখান থেকে দ্রুত তাদেরকে উদ্ধার করে সদরপুর জাকের মঞ্জিল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কত্যর্বরত ডাক্তার তাদেরকে মৃত ঘোষনা করেন। 

বাশার মাতুব্বরের অপর ভাই এনামুল মাতুব্বর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জামিলদি মাতুব্বর সদরপুর উপজেলা সদরে ফলের ব্যবসা করেন। তিনি তার স্ত্রী ওই দুই ছেলে মেয়ে জিমি ও সাজ্জাদকে নিয়ে সদরপুরে থাকেন। অপরদিকে বাশার মাতুব্বর ফরিদপুরে ফুচকা বিক্রি করেন। তবে তার পরিবার কাঠালবাড়ি গ্রামেই থাকেন। জামিলদি মাতুব্বর বাড়ির মসজিদে রবিবার ইফতার দেওয়ার জন্য দুই ছেলে মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতে এসেছিলেন।

মৃত রিমি কাঠালবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির ছাত্রী। তার চাচাতো বোন জিমি সদরপুরের একটি কিন্টারগার্টেনে নার্সারি শ্রেণির ছাত্রী।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী সাইদুর রহমান বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক।

এদিকে আপন দুই ভাইয়ের তিন সন্তানের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।