Opu Hasnat

আজ ২০ জুলাই শুক্রবার ২০১৮,

প্রধানমন্ত্রী বরাবরে চট্টগ্রামের মুক্তিযোদ্ধাদের স্মারকলিপি চট্টগ্রামমুক্তিবার্তা

প্রধানমন্ত্রী বরাবরে চট্টগ্রামের মুক্তিযোদ্ধাদের স্মারকলিপি

মহান স্বাধীনতা বিরোধীদের সন্তানদের সরকারি চাকরিতে নিয়োগ না দেয়া ও প্রশাসনে রাজাকারদের বংশধরদের অনুপ্রবেশ নিষিদ্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি দিয়েছেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিটের সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। 

রোববার দুপুরে সংসদের মহানগর ইউনিট কমান্ডার মোজাফফর আহমদের নেতৃত্বে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ ও তাদের পরিবারের পক্ষে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। দাবিগুলো হচ্ছে- দেশের সকল যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার ও স্বাধীনতা বিরোধীদের চাকরিতে নিয়োগ না দেয়া, প্রশাসনে রাজাকারদের বংশধরদের অনুপ্রবেশ নিষিদ্ধে আইন বাস্তবায়ন, স্বাধীনতা বিরোধী জামাত-শিবিরের সন্তানদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা, যুদ্ধাপরাধীদের নাগরিকত্ব বাতিল ও তাদের সকল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা, ভিয়েতনামের মত ‘দেশদ্রোহীদের অধিকার সংকুচিত’ আইন বাতিল করা, রাজাকারদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা করা, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতিসহ পার্লামেন্টে ‘প্রিভিলাইজ এন্ড প্রোটেকশন এ্যাকট ফর দ্যা ফ্রিডম ফাইটার বিল উত্থাপন ও পাস করা এবং ‘ওয়ারেন্ট অব প্রসিডেন্স’-এ মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থান সুনির্দিষ্ট করে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। 

এ সময় মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ইউনিট কমান্ডার মোজাফফর আহমদ বলেন, সরকারের বিভিন্নস্তরে জামাত-শিবির ও স্বাধীনতা বিরোধীরা চাকরিরত থাকায় সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ হচ্ছে। তাদেরকে অবিলম্বে চাকরিচ্যুত না করলে সরকারের ভিশন ২০২১ ও ২০৪১ বাঁধাগ্রস্ত হতে পারে। পাশাপাশি যারা কোটার নামে আন্দোলন করছে তাদের তালিকা তৈরি করতে হবে এবং বিসিএস ক্যাডারসহ তারা যাতে সরকারি দপ্তর, সেনা, নৌ, পুলিশ বিমান বাহিনী ও বিজিবিতে চাকরি না পায় সে ব্যবস্থা করতে হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশের বাইরে থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধারা কখনো কোন কাজ করবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপর আমাদের আস্থা সবসময় থাকবে।

স্মারকলিপি প্রদানকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিটের সহকারী কমান্ডার পাল্টু লাল সাহা, সাধন চন্দ্র বিশ্বাস, খোরশেদ আলম (যুদ্ধাহত), থানা কমান্ডার সৌরিন্দ্র নাথ সেন (কোতোয়ালী), কামরুল আলম (বন্দর), মো. ইউসুফ (খুলশী), আবুল কালাম (ইপিজেড), বীর মুক্তিযোদ্ধা বেলায়েত হোসেন, সৈয়দ আহামদ, এরশাদুল হক, হাবিব উল্ল্যাহ খান, দীল মোহাম্মদ, রঞ্জন সিংহ, হাজী সিরাজ, এম.এ ছালাম, মো. সামশুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নওশাদ মাহমুদ রানা, মো. সরওয়ার আলম চৌধুরী (মনি), মো. আহসাব উদ্দিন তালুকদার (আসিফ) প্রমুখ।