Opu Hasnat

আজ ১৪ ডিসেম্বর শুক্রবার ২০১৮,

খাগড়াছড়ির সেনা রিজিয়ন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে লংগদু জোন চ্যাম্পিয়ন খেলাধুলাখাগড়াছড়ি

খাগড়াছড়ির সেনা রিজিয়ন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে লংগদু জোন চ্যাম্পিয়ন

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার হাজারও দর্শকের উপস্থিতিতে জেলা সদর সেনা রিজিয়ন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় লংগদু সেনা জোন ১-০গোলে মহালছড়ি সেনা জোনকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। “গোষ্ঠী ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশ গড়ি, সম্প্রীতির খাগড়াছড়ি” এ শ্লোগানে শুক্রবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে রানার আপ হয় মহালছড়ি জোন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরনার্থী বিষয়ক ট্রাস্কফোর্স চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী) কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করেন এবং খেলা শেষে বিজয়ী ও বিজিত দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, খাগড়াছড়ি ডিজিএফআই অধিনায়ক কর্নেল মাহাবুব রহমান সিদ্দিকী, খাগড়াছড়ি সদর সেনা জোনের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো: শামস মোহাম্মদ মামুন, মহালছড়ি সেনা জোনের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোস্তাক আহম্মদ, লংগদু জোন অধিনায়ক লে. কর্নেল আলীম চৌধুরী, বাঘাইছড়ি জোন অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম আজম, দীঘিনালা জোন অধিনায়ক লে. কর্নেল ফেরদৌস জিয়া উদ্দিন মাহমুদ, মারিশ্যা জোন অধিনায়ক লে, কর্নেল মো: আব্দুল মহিত, জেলা প্রশাসক রাশেদুল ইসলাম, খাগড়াছড়ি রিজিয়নে স্টাফ অফিসার মেজর নাজমুস সালেহীন সৌরভ, খাগড়াছড়ি মং সার্কেল প্রধান সাচিংপ্রু চৌধুরী, সাবেক সাংসদ যতীন্দ্র লাল ত্রিপুরা, জেলা পরিষদ সদস্য ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জুয়েল চাকমাসহ সামরিক বেসামরিক কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিসহ বিভিন্ন উপজেলার কয়েক হাজার দর্শক খেলা উপভোগ করেন।

বিজয়ী দলকে ট্রফি ও ১লক্ষ টাকা এবং রানার আপকে ট্রফি ও ৫০হাজার টাকা পুরষ্কার প্রদান করা হয়। এবং সর্বোচ্চ গোলদাতা মো: ইয়াছিন ১০হাজার টাকা ও মেডেল দেওয়া হয়। র‌্যাফেল ড্র-এ প্রথম বিজয়ীকে চট্টগ্রাম-ব্যাংকক-চট্টগ্রাম এয়ার টিকিটসহ আকর্ষনীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৭ই এপ্রিল খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়। টুর্নামেন্টে খাগড়াছড়ি সেনা রিজিয়নের আওতাধীন ৭টি সেনা জোন অংশগ্রহণ করে। মূলত পাহাড়ে যুবকদের উৎসাহিত করতেই এই খেলার আয়োজন করা হয়।