Opu Hasnat

আজ ২২ জুলাই রবিবার ২০১৮,

সুনামগঞ্জে ডাকাতিকালে আন্ত:জেলা ডাকাত দলের ১১ সদস্য আটক সুনামগঞ্জ

সুনামগঞ্জে ডাকাতিকালে আন্ত:জেলা ডাকাত দলের ১১ সদস্য আটক

সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ডলুরা গ্রামের অদুদ মিয়া ও জুলহাস মিয়ার বাড়িতে ডাকাতিকালে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ১১ সদস্যকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করেছে পুলিশ। 

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, সোমবার ভোররাতে উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের কাপনা ডলুরা গ্রামের অদুদ মিয়া ও জুলহাস মিয়ার বাড়িতে একদল ডাকাতহানা দিলে এলাকাবাসী পুলিশকে জরুরী সেবাদানকারী ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করলে বিশ্বম্ভরপুর থানা পুলিশ ১১ ডাকাতকে ডাকাতির মালামালসহ আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এসময় ডাকাতদের কাছ থেকে নগদ ৩৯০০ টাকা, একটি চেইন, দুটি মোবাইলসেট, দেশীয় অস্ত্র ডেকার দুটি, রামদা একটি চাকু একটি চাইনিজ কুড়াল একটি স্ক্রুড্রাইভারসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে। 

আকটকৃতরা হলো সুনামগঞ্জ পৌরসভার  ষোলঘর এলাকার  রুবেল মিয়া (৩০) কাপনা গ্রামের বাচ্চু মিয়া (৩৫), বাহাদুরপুর গ্রামের কামাল মিয়া (৩৫), সিলেটের মানসিনগর  গ্রামের আমিন মিয়া (২৮), হেংলাকান্দি গ্রামের মিজনুর রহমান (৪৫),  নোয়াগাও গ্রামের আশরাফ আলী (৩৫), হবিগঞ্জের শিবপাশা গ্রামের সুমন মিয়া (২৫), দেবিপুর গ্রামের রাসেল মিয়া (৩০), শায়েস্তাগঞ্জ বাজারের এনাম মিয়া (৪০), জসিম উদ্দিন (৩০)  ও সাদিকুর রহমান (২০)। 

ধনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, জুলহাসের বাড়িতে নৌকা বানানোর লাখ খানেক টাকা ছিলো। এখবর ডাকাতদলের সদস্যরা জানতো। তাই সোমবার ভোরে জুলহাসের বাড়িতে ডাকাতি করেত যায় তারা। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় পুলিশ তাদের আটক করে। ডাকাতির ঘটনায় দুজন জুলহাস ও  সবুজ মিয়া নামের দুই ব্যাক্তি আহত হয়েছে।  

এ ব্যাপারে বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোল্লা মনির হোসেন জানান, সোমবার ভোরে জরুরী সেবার মেসেজ পেয়ে এলাকাবাসীয় সহযোগিতায় কাপনা গ্রাম থেকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন  এলাকার ডাকাতদের অভিযুক্ত করে বিশ্বম্ভরপুর থানায় একটি  মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

এই বিভাগের অন্যান্য খবর