Opu Hasnat

আজ ২২ জুলাই রবিবার ২০১৮,

লালমোহনে তীব্র গরমের কারণে বেড়েই চলছে ডায়েরীয়া রোগীদের সংখ্যা স্বাস্থ্যসেবাভোলা

লালমোহনে তীব্র গরমের কারণে বেড়েই চলছে ডায়েরীয়া রোগীদের সংখ্যা

ভোলার লালমোহন উপজেলায় তীব্র গরম ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে বেড়েই চলছে ডায়েরীয়া রোগীদের সংখ্যা। বিগত ১৫ দিন ধরে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ জন করে রোগী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে ভর্তি হচ্ছে লালমোহন সদর হাসপাতালে। হাসপতালে ভর্তিকৃত রোগীদের মধ্যে শিশু ও বয়স্কদের সংখ্যাই বেশী বলে জানা যায়। 

লালমোহন হাসপাতালে ডাক্তারের সংকটের কারণে এমতিই নিয়মিত রোগী সেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে রোগীদের অভিযোগ রয়েছে। অনেক রোগী সেবা না পেয়ে ফিরে যান। কেউ বা প্রাইভেট ডাক্তার বা ভোলা হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেন। তার উপর ডায়েরীরা রোগীদের সংখ্যা বাড়তি চাপ এ হাসপাতালে। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, গত দুই দিনেই ১৩ জন ডায়েরীয়া রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে সোমবার ভর্তি হয়েছেন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের ফুলবাগিচা থেকে আসা তাসনিয়া (৩), পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া থেকে রুমা (২৪), ধলিগৌরনগর নগর ইউনিয়নের হরিগঞ্জের শাইদুল করিম (৭মাস), লালমোহন পৌরসভার ৭ নং ওয়াডের আরিয়ান (১), কালমা ইউনিয়নের লেজ ছকিনা গ্রামের নিলু বেগম (৫০)। এর আগে রবিবার ভর্তি হয়, কালমা ইউনিয়নের ডাওরী এলাকার বিউটি বেগম (২৫), সদর ইউনিয়নের ফুলবাগিচার আবু তাহের (৪৫) ও রুনা বেগম (৫৫), পৌরসভার ২ নং ওয়াডের হাবিব (৭), ধলিগৌরনগরের সূজনা (১) এবং চরভূতা ইউনিয়নের মো: হোসেন (২০)। কালাচাঁদ এলাকা থেকে আসা হাসনাইন (৪) ও লিমন (২) ভর্তি করা হয়।

সেবা নিতে আসা রোগীদের নিয়মিত সেবা দিতে মাত্র ৩ জন ডাক্তার হিমশিম খাচ্ছেন। তবুও ডায়েরীরা রোগীদের জন্য প্রতিদিন হাসপাতাল থেকে বরাদ্ধকৃত সরকারি খাওয়ার স্যালাইন, এজিথ্রোমাইসিন, স্যালাইন সেট, সিপ্রোফ্লোক্সসিনসহ বিভিন্ন ঔষুধ বিতরণ করছেন বলে জানান।

তবে রোগী ও স্বজনদের দাবী, তারা হাসপাতাল থেকে শুধু মাত্র ডায়েরীয়ার স্যালাইন ছাড়া অন্য কোনো সেবা পান না। বাকি প্রয়োজনীয় ঔষুধ বাহির থেকে কিনে আনতে হয় তাদের।

এব্যাপারে লালমোহন হাসপাতালের টিএস ডা: আব্দুর রশিদ জানান, হাসপাতালে ডায়েরীরা রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি। তীব্র গরমের কারণে এ সমস্যা হচ্ছে। তবে আতংকের কোন কারণ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, সবাই পর্যাপ্ত সেবা পাচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ সংকটের কারণে বাইরে থেকে কিনতে হয় বলেও তিনি জানান।